সিলেট অফিস: অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনের মাধ্যমে খোয়াই নদীকে সংকটে ফেলা হয়েছে। নদীর দু'পাশে বন্যা প্রতিরোধ বাধ হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। নদীর তীর বিনষ্টের মাধ্যমে নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হয়েছে। তাই সমাধান পেতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে।
আজ ২০ জুন (শুক্রবার) বেলা ১১ টায় ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) এর একটি প্রতিনিধি দল খোয়াই নদীর পূর্ব ভাদৈ এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত বাধ পরিদর্শনকালে এ মন্তব্য করেন।
ধরা'র কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব শরীফ জামিলের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক, ধরা হবিগঞ্জের উপদেষ্টা এডভোকেট মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল, আহবায়ক কবি তাহমিনা বেগম গিনি, খোয়াই রিভার ওয়াটারকিপার তোফাজ্জল সোহেল, পরিবেশকর্মী সাইফুল ইসলাম প্রমূখ।
এ সময় প্রতিনিধি দল স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কথা বলেন।
ধরা'র কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব শরীফ জামিল বলেন, অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনের কারণে কিভাবে নদীর গতিপথ পরিবর্তন করে বিভিন্ন জনপদে ভাঙন ও মানবিক বিপর্যয় তৈরি করে তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ খোয়াই নদীর এই অংশ। শুধু বাঁধ মেরামত কিংবা বালু উত্তোলন বন্ধ করে নয়; নদীকে তার মূল গতিপথে ফিরিয়ে না দিলে এই ভাঙ্গন স্থায়ীভাবে রোধ করা অসম্ভব। তিনি অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর ও ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)'র সংগঠক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক বলেন, বছরের পর বছর বাঁধ মেরামত করে খোয়াই নদীর বান থেকে পরিত্রান পাওয়া সম্ভব নয়। অতীতে বাঁধ নির্মাণের জন্য নদীর তীর থেকে মাটি উত্তোলনের মাধ্যমে সৃষ্ট খাল একটা সময় নদীর গতিপথ পরিবর্তন করে দেয়। ভাদৈ ও তেঘরিয়া এলাকায় সরজমিনে দেখা যায় খোয়াই নদীর মূল গর্ভে বিরাট চর সৃষ্টি হয়েছে, অপরদিকে সৃষ্ট খালে প্রবাহিত হচ্ছে মূল নদীটি। তাই ইকোলজিক্যাল মরফোলজি বিবেচনায় এনে পূর্বতন ভূমি রেকর্ড পর্যালোচনা করে মূল নদীর জায়গায় নদীর পানি প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে।
খোয়াই রিভার ওয়াটারকিপার তোফাজ্জল সোহেল বলেন, খোয়াই নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে যন্ত্র দ্বারা নির্বিচারে বালু - মাটি উত্তোলন করে নদী ও নদীতীর ঝুঁকিপূর্ণ করে রাখা হয়েছে। বর্ষা মৌসুম কিংবা অন্য যেকোনো সময় নদীতে বান দেখা দেয়। অনেক সময় নদী তীর ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকে। সৃষ্টি বন্যায় মানুষের জান মাল ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এসময় নদী তীরের বসবাসকারী জনগণকে আতঙ্কে উৎকণ্ঠায় থাকতে হয়। এটা চলছে বছরের পর বছর যুগের পর যুগ ধরে। স্থায়ী কোন সমাধান আসছে না। যত্রতত্র বালু উত্তোলনের মাধ্যমে সংকট আরো ঘনিভূত হচ্ছে। এক্ষেত্রে বিজ্ঞানভিত্তিক স্থায়ী সমাধানের বিকল্প নেই।
অনিক রায়, ফরিদপুর অফিস: ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলায় সরকারি খাল পুনঃখনন প্রকল্পকে কেন্দ্র করে বন বিভাগের সামাজিক বনায়নের বিপুলসংখ্যক গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমাল ...
বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি: জামালপুরের বকশীগঞ্জে ৩০ পিস ইয়াবাসহ কামালপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় আরো দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।বুধবার (২০ মে) দুপুরে কামালপুর ইউনিয় ...
মাহমুদুর রহমান (তুরান) ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ ভাঙ্গা উপজেলায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচার এ্যান্ড রুলাল ট্রান্সফরমেশন ফর এন্টারপ্রেরনশিপ এ্যান্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলা ...
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি॥ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে নির্মাণাধীন একটি ভবনের সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে চার শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।গতকাল বুধবার (২০মে) দুপুরে উপজেল ...
সব মন্তব্য
No Comments