স্টাফ রিপোর্টার: সংশোধিত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০০৫’ অনুসরণ করে চলচ্চিত্র নির্মাণ ও প্রচারের আহ্বান জানিয়েছেন চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, শিল্পী ও সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের জহির রায়হান অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তারা বলেন, তামাক ও মাদকের নেতিবাচক উপস্থাপন তরুণ সমাজকে বিপথে ঠেলে দিচ্ছে। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে চলচ্চিত্রে তামাকের ব্যবহার পরিহার ও আইন বাস্তবায়নে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
গতকাল রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ‘চলচ্চিত্রে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বাস্তবায়ন: পরিচালক ও সংশ্লিষ্টদের করণীয়’ শীর্ষক ওই আলোচনা সভার আয়োজন করে মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থা (মানস) এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি।
চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহীন সুমনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান তানি, মানসের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. অরূপরতন চৌধুরী, চলচ্চিত্র পরিচালক ছটকু আহমেদ, এফ আই মানিক ও জয়নাল আবেদীন, পরিচালক সমিতির সহ-সভাপতি আবুল খায়ের বুলবুল, প্রত্যাশা মাদকবিরোধী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহমেদ, বিইআর-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প পরিচালক হামিদুল ইসলাম হিল্লোল, ডব্লিউবিবি ট্রাস্টের হেড অব প্রোগ্রামস সৈয়দা অনন্যা রহমান, মানসের প্রকল্প সমন্বয়কারী ডা. ইফতেখার মুহসিন প্রমুখ।
সভায় অধ্যাপক ড. অরূপরতন চৌধুরী বলেন, তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে মানুষ সচেতন হলেও তামাক কোম্পানিগুলোর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রচারণা তামাক ব্যবহার কমানোর উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করছে। বিশেষ করে কিশোর-তরুণদের তামাক ও মাদকের প্রতি আকৃষ্ট করতে নানা কৌশল ব্যবহার করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা, শিল্পী এবং সমাজের সব শ্রেণির মানুষের সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে তামাকবিরোধী সচেতনতা গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে শাহীন সুমন বলেন, নেতিবাচক চরিত্র তুলে ধরার নামে অনেক চলচ্চিত্রে অপ্রয়োজনীয়ভাবে ধূমপান ও মাদক সেবনের দৃশ্য দেখানো হয়, যা তরুণদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এই প্রভাব মোকাবিলায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন জরুরি। এ বিষয়ে পরিচালক সমিতির চার শতাধিক সদস্যকে সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি।
সভায় বক্তারা আরও বলেন, ২০২৬ সালের সংশোধিত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন’ অনুযায়ী সিনেমা, নাটক ও প্রামাণ্যচিত্রে তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারের দৃশ্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে পরিবার থেকেই তামাকবিরোধী সচেতনতা শুরু করতে হবে। একইসঙ্গে চলচ্চিত্রে সুস্থ বিনোদনের মাধ্যমে তামাকের ক্ষতিকর দিক ও আইনের বিষয়গুলো তুলে ধরতে হবে। নায়ক বা কেন্দ্রীয় চরিত্রের আচরণ দর্শকদের, বিশেষ করে তরুণদের ওপর প্রভাব ফেলে। তাই ধূমপান ও মাদকের দৃশ্য পরিহার করে মানসম্মত চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির ৩০ জনের বেশি পরিচালকসহ বিভিন্ন তামাক নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেস্ক রিপোর্ট: ভারতের বর্ষীয়ান অভিনেতা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা নানা পাটেকর আর নেই। ৭৫ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার ৮ অক্টোবর ভোরে গোয়ার নিজ বাসভবনে তাকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়।হ ...
স্টাফ রিপোর্টার: চেহারার ভিন্নতা ও বৈশ্বিক বৈশিষ্ট্যের কারণে শৈশবে বুলিংয়ের শিকার হওয়ার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন মডেল, মিস আর্থ বাংলাদেশ ২০২০ এবং মানবাধিকারকর্মী মেঘনা আলম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেও ...
স্টাফ রিপোর্টার: নব্বই দশকের তুমুল জনপ্রিয় ও কালজয়ী সিনেমা ‘হঠাৎ বৃষ্টি’র নতুন সংস্করণ ‘আবার হঠাৎ বৃষ্টি’র মাধ্যমে এই মাসেই প্রেক্ষাগৃহে হাজির হয়েছেন এ প্রজন্মের চিত্রনায়িকা মৌ খান। বড় পর্দায় মূল গল্ ...
ডেস্ক রিপোর্ট: মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় শরণার্থীদের দুর্বিষহ জীবন, যুদ্ধের অভিঘাত ও মানবিক বিপর্যয়ের স্মৃতি উঠে এলো গীতি আলেখ্য ‘যশোর রোড’-এ। মার্কিন কবি অ্যালেন গিন্সবার্গের বিখ্যাত কবিতা ‘সেপ্টেম্ব ...
সব মন্তব্য
No Comments