কবি জাকারিয়া আজাদ বিপ্লব।
১৯৫২ সালেরআ২৩ ডিসেম্বর সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন। আজ ২৩ ডিসেম্বর ৭১ বছরে পা দিলেন জনপ্রিয় অংক ও পদার্থবিদ শিক্ষক প্রগতিশীল লেখক সংস্কৃতি মনা এবং কথা সাহিত্যিক জাফর ইকবাল। ছোটকালে তাঁর ডাক নাম ছিল বাবুল। বাবা ছিলেন- একজন পুলিশ কর্মকর্তা, যিনি স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন হানাদার বাহিনীর হাতে খুন হন। শৈশব কাল থেকে লেখালেখির হাতে খড়ি। ব্যাক্তিগতভাবে একজন সাহিত্যমনষ্ক মানুষ হলেও লেখাপড়া ছিল- বিজ্ঞানের উপর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে পদার্থ বিদ্যায় স্নাতকোত্তর শেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা গ্রহনকালে সহপাঠী ইয়াসমিন হকের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের দুই ছেলে-মেয়ে নাবিল ইকবাল ও ইয়েশিম ইকবাল। দেশের আরেক প্রখ্যাত রসায়নবিদ ও ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদ তাঁর বড় ভাই এবং রম্য ম্যাগাজিন উন্মাদের সম্পাদক ও কার্টুনিস্ট/লেখক আহসান হাবীব তাঁর ছোট ভাই। জাফর ইকবালের পিএইচডি'র গবেষনার বিষয় ছিল- "Parity violation in Hydrogen Atom".
অতঃপর কিছুদিন যুক্তরাষ্ট্রের বেল কমিউনিকেশনস রিসার্চে (বেলকোর) গবেষক হিসাবে কাজ করার পর ১৯৯৪ সালে দেশে ফিরে আসেন এবং সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে যোগদান করেন। তিনি ২০১৮ সালে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে অবসর গ্রহণ করেন। তিনি বরাবর একজন প্রগতিশীল মানুষ ছিলেন এবং সম্ভবত (!) এজন্যই অবসরের আগে একদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে ইলেকট্রিকাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং-এর এক উৎসব চলাকালীন ছুরিকাহত হন- যাকে তিনি পরবর্তীতে ক্ষমা করে দেন।
ব্যক্তিগত জীবন তিনি তাঁর লেখালেখির জন্য অনেক পুরস্কার ও সন্মাণনা লাভ করেন। বাংলা একাডেমি পুরস্কার (২০০৪), শ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার (২০০৫), কাজী মাহবুবুল্লা জেবুন্নেছা পদক (২০০২), খালেদা চৌধুরী সাহিত্য পদক (বাংলা ১৪১০), শেলটেক সাহিত্য পদক (২০০৩), ইউরো শিশুসাহিত্য পদক (২০০৪), মোহা. মুদাব্বর-হুসনে আরা সাহিত্য পদক (২০০৫), মার্কেন্টাইল ব্যাংক সম্মাননা পদক (২০০৫), আমেরিকা এল্যাইমনি এ্যসোসিয়েশন পদক (২০০৫), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ্যালাইমনি এ্যাসোসিয়েশন পদক (২০০৫) লাভ করেন। জানা মতে- তিনি এখনো 'বাংলাদেশ গণিত ইয়ার্ড' এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন!
আজ ড. জাফর ইকবালের জন্মদিনে গভীর ভালবাসা শুভেচ্ছা।
।। মুক্তার হোসেন নাহিদ ।।হাইটিনা, জাপান্টিনা কিংবা নরওয়েন্টিনা—যে নামেই ট্রল করা হোক না কেন, আর্জেন্টিনার কট্টর সমর্থক হওয়ার পরেও আমি সবসময় ব্রাজিলের বিজয় কামনা করেছি। কারণ বিশ্ব ফুটবল উন্মাদনার ...
বিল্লাল বিন কাশেম:একটি দেশের উন্নয়নের সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি তার মানবসম্পদ। প্রাকৃতিক সম্পদ, অবকাঠামো কিংবা প্রযুক্তিগত অগ্রগতি যতই থাকুক না কেন, দক্ষ, সৃজনশীল ও কর্মমুখী জনগোষ্ঠী ছাড়া টেকসই উন্নয়ন স ...
আফসানা আরেফিন:আমরা এক অদ্ভুত প্যারাডক্স বা আপাত-বিরোধিতার গোলকধাঁধায় দাঁড়িয়ে আছি। পুঁজিবাদী উৎপাদনব্যবস্থা, সোশ্যাল মিডিয়ার কৃত্রিম কিউরেট করা জীবন এবং করপোরেট সংস্কৃতির পারফরম্যান্স রিভিউ সবকিছু মিলে ...
মুক্তার হোসেন নাহিদ:মায়ামির রাতের আকাশে নীল-সাদার সমারোহ। হার্ড রক স্টেডিয়ামে "আর্জেন্টিনা! আর্জেন্টিনা" প্রতিধ্বনি। দুনিয়াজুড়ে পর্দার সামনে কোটি কোটি মানুষের কণ্ঠেও একই আওয়াজ। ফিফা র্যাংকিংয়ে ১ম স্থ ...
সব মন্তব্য
No Comments