ডেস্ক রিপোর্ট: ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো শেডে লাগা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ শনিবার, ৬ জুন সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে কমিটিকে প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার, ৫ জুন দিবাগত রাতে আগুন লাগা কার্গো শেড পরিদর্শনে গিয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, তদন্ত সাপেক্ষেই বোঝা যাবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও তদন্ত কমিটি নিরূপণ করবে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে কথা বলে ধারণা করা হচ্ছে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে। তবে তিনি প্রশ্ন তোলেন, শর্ট সার্কিট কেন হবে। এর আগেও যে অগ্নিকাণ্ড হয়েছিল, সেখানেও তদন্ত প্রতিবেদনে শর্ট সার্কিটের কথা ছিল। ‘তাহলে নিশ্চয়ই গাফিলতি রয়েছে। আমাদের তা স্বীকার করতে হবে’, বলেন প্রতিমন্ত্রী। এবার কারও গাফিলতির কারণে ঘটনা ঘটে থাকলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি, যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, গত বছরের ১৮ অক্টোবরও বিমানবন্দরের কার্গো শেডে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছিল। এরপর নতুন শেড নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। সরকারের সাড়ে তিন মাস বয়সে কয়েকবার শেড নির্মাণের কথা ভাবা হলেও থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধনের জন্য জাপানের সঙ্গে চুক্তি থাকায় নতুন করে শেড করলে পরে কোনো কাজে লাগবে না। থার্ড টার্মিনালের পেছনের দিকে এক্সপোর্ট ও ইম্পোর্টের জন্য দুটি কার্গো গোডাউন করা হয়েছে, যেখানে ৮ লাখ টন করে মালামাল রাখা যাবে। তাই ছয় মাসের জন্য নতুন স্থাপনা না করার বিষয়ে সিভিল এভিয়েশনকে বলা হয়েছিল এবং আপাতত অস্থায়ী শেড করার কথা বলা হয়েছিল। এ বিষয়ে তবুও সিভিল এভিয়েশনকে জিজ্ঞেস করা হবে বলে জানান তিনি। তদন্তের পর কে দায়ী তা বোঝা যাবে এবং আজ সকালের প্রাথমিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করে আসল ঘটনা বের করে শক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এর আগে গতকাল রাত সোয়া ১১টার দিকে বিমানবন্দরের ৯ নম্বর গেটের পাশের কার্গো শেডের মালামাল রাখার স্থানে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটের ১৪ মিনিটের চেষ্টায় রাত ১১টা ৩৮ মিনিটে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।
উল্লেখ্য, এর আগেও গত বছর ১৮ অক্টোবর শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ কমপ্লেক্সে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। সেদিন দুপুর আড়াইটার দিকে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিটের সাড়ে ছয় ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছিল এবং নিরাপত্তার স্বার্থে দীর্ঘ সময় ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ ছিল। ওই ঘটনায় কার্গো ভিলেজের আমদানি শাখায় রাখা কাপড় ও দাহ্য পদার্থের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়েছিল।
তবে গতকাল রাতের অগ্নিকাণ্ড দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসায় বিমানবন্দর সচল ছিল এবং কোনো ফ্লাইট শিডিউল বিপর্যয় ঘটেনি।
স্টাফ রিপোির্টার: পবিত্র হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ফিরেছেন ৩২ হাজার ৮৩২ জন বাংলাদেশি হাজি। একই সময়ে সৌদি আরবে অবস্থানকালে বিভিন্ন কারণে মারা গেছেন ৪৮ জন বাংলাদেশি হাজি। আজ শনিবার, ৬ ...
স্টাফ রিপোর্টার: বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও অভ্যন্তরীণ বাস্তবতা বিবেচনায় দেশের ৬৫ শতাংশ প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীকে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন, বিইআরসির বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ ...
স্টাফ রিপোর্টার: লঘুচাপের বর্ধিতাংশ ও দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশজুড়ে তাপমাত্রা কমার পাশাপাশি আগামী পাঁচ দিন দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আ ...
স্টাফ রিপোর্টার: দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের পক্ষ থেকে অ ...
সব মন্তব্য
No Comments