স্টাফ রিপোর্টার: বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) অধিবেশন চলাকালে বেলা ৩টা ৪০ মিনিটে সংসদের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতির আগমণ বার্তা ঘোষণা করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এসময় বিরোধী সদস্যরা বিক্ষোভ শুরু করেন। বিক্ষোভের মধ্যে বিউগলের সুর বেজে ওঠে। অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করেন রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিন। তিনি স্পিকারের ডান পাশে রাখা নির্ধারিত আসনের সামনে দাড়ান। তখন জাতীয় সংগীত বেজে ওঠে এবং অধিবেশন কক্ষের মনিটরে জাতীয় পতাকা প্রদর্শিত হয়। সরকার দলীয় সদস্যরা দাড়িয়ে শ্রদ্ধা জানালেও বিরোধী জোটের সদস্যরা বসে পড়েন। প্রথমে বিরোধী দলীয় সদস্যরা বসে থাকলেও জাতীয় সংগীতের মাঝ পর্যায়ে বিরোধী দলীয় সদস্যরাও দাড়ান।
জাতীয় সংগীত পরিবেশন শেষে নির্ধারিত আসনে বসেন রাষ্ট্রপতি। অন্যদিকে প্লাকার্ড হাতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকেন জামায়াত-এনসিপি জোটের সদস্যরা। তারা রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করে ‘খুনী’, ‘কিলার চুপ্পু’, ‘ফ্যাসিস্ট চুপ্পু’, ‘গেট আউট চুপ্পু’ বলতে থাকেন। তাদেরকে শৃখলা বজায় রাখার জন্য বারবার অনুরোধ জানান স্পিকার। আর রাষ্ট্রপতি তার জন্য নির্ধারিত ভাষণ ডায়াসের সামনে দাড়িয়ে থাকেন। বিরোধী দলীয় উপনেতা ডা. আব্দুল্লাহ মো. তাহের, চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম ও হাসনাত আব্দুল্লাহর নেতত্বে শ্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় তারা বলেন, ‘ফ্যাসিবাদ-গণতন্ত্র এক সাথে চলবে না’, ‘ফ্যাবিবাদের দোসররা, হুশিয়ার সাবধান’,। তারা টেবিল চাপড়ে ও চিৎকার করে অধিবেশন কক্ষে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন। এই হট্টগোলের মধ্যে বিএনপির কয়েকজন এমপি বলতে থাকেন, আপনারা কাজটি ঠিক করছেন না, রাষ্ট্রপতি অর্ধেক মানছেন, অর্ধেক মানছেন না। তাকে অসম্মন করছেন। অধিকাংশ সরকার দলীয় সদস্যরা চুপচাপ বসে ছিলেন।
বিক্ষোভকালে মাইক ছাড়াই বিরোধী দলের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে ইমপিচমেন্ট, পদত্যাগ ও গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়। বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান মাইক ছাড়াই বলেন, এই রাষ্ট্রপতি স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের সহযোগি, দালাল। এই সংসদে আমরা তার ভাষণ মেনে নিতে পারি না। এ পর্যায়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ আসন ছেড়ে রাষ্ট্রপতির ডায়াসের দিকে তেড়ে যান। কিন্তু তাকে বাধা দেন বিরোধী দলীয় উপনেতা। তিনি দুই হাত প্রসারিত করে বিরোধী দলীয় সদস্যদের বাইরে নিয়ে যান।
প্রায় চার মিনিট অচলাবস্থার পর রাষ্ট্রপতি তার ভাষণ শুরু করেন। এরমধ্যেও বিরোধী দলের বিক্ষোভ চলতে থাকে। এক পর্যায়ে শ্লোগান দিতে দিতে বেরিয়ে যান বিরোধী দলীয় সদস্যরা। পরে রাষ্ট্রপতি তার নির্ধারণ ভাষণ শেষ করেন এবং স্পিকার অধিবেশন মূলতবি করেন।
স্টাফ রিপোর্টার: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিপফেক প্রযুক্তির অপব্যবহার করে গুজব, অপতথ্য ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা মোকাবিলায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়ে ...
স্টাফ রিপোর্টার: রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও টেকসই সমাধানে মিয়ানমারের জান্তা সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ ও আলোচনা চালাবে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গ ...
স্টাফ রিপোর্টার: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সুস্পষ্ট লঘুচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উপকূলসহ সারাদেশে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি, ঝড়ো হাওয়া ও জলাবদ্ধতার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পা ...
রাহাদ সুমন,বরিশাল ব্যুরো: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের ৪ মাসের মাথায় প্রথমবারের মত বরিশালে সরকারি সফরে যাচ্ছেন ১৩ জুলাই।ঐদিন বরিশাল পৌঁছে মহানগরীর পাশে বহমান কীর্তনখোল ...
সব মন্তব্য
No Comments