বোরহান উদ্দীন রব্বানী:
তরুণরাই পারে অসাধ্যকে সাধন করতে, অজেয়কে জয় করতে। যুগে যুগে জগতে গীত হয়েছে তরুণ ও তারুণ্যের জয়গান। প্রবীণের প্রজ্ঞা ও পরামর্শ নবীনের বল বীর্য, সাহস ও উদ্দীপনায় পৃথিবীতে আসে পরিবর্তন। প্রথা ভাঙায় দুঃসাহস দেখাতে পারে শুধু তরুণেরাই। স্থলে, জলে ও মহাকাশে যেকোন অভিযানে অভিযাত্রী হওয়ার যোগ্য শুধু তরুণেরাই।
তাই কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য বলেছেন।
আঠারো বছর বয়সের নেই ভয়
পদাঘাতে চায় ভাঙতে পাথর বাধা,
এ বয়সে কেউ মাথা নোয়াবার নয়-
আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা।
তারুণ্যের কবি কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন
অসম্ভবের অভিযানে এরা চলে
না চলেই ভীরু ভয়ে লুকায় অঞ্চলে
এরা অকারণ দূর্ণিবার প্রাণের ঢেউ
তবুও ছুটে চলে যদিও দেখান সাগর কেউ
এক অসম্ভবকে সম্ভব করেছিল ১৯৭১ সালে তরুণরা
শিশু-কিশোরদের যেমন নির্দিষ্ঠ বয়সের সময় সীমা আছে তেমনি তরুণদের আলাদা কোন সময় সীমা নেই। তারপরও ধরা হয় ১৮ বছর থেকে ৩৫ বছর পর্যন্ত তরুণ-তরুণী।
ভার্চুয়াল জগত হচ্ছে এমন এক জগত যেখানে মানুষে মানুষে সংযোগ ঘটে মোবাইল, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, অথবা যেকোন যন্ত্রের সহযোগিতায়।এখন তরুণরা বেশির ভাগ সময় ব্যয় করে এই জগতে। বর্তমানে যে প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে তা হলো তরুণ-তরুণীরা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটানোর চেয়ে মোবাইলের মাধ্যমে ভার্চুয়াল জগতে সময় ব্যয় করাকে বেশি পছন্দ করে। এর ফলে পারিবারিক আড্ডার বসার প্রবণতা কমে গেছে। শুধু তাই নয় এই ভার্চুয়াল জগত মানুষের ঘুৃম কেড়ে নিচ্ছে। যদিও আমরা বলি সোশ্যাল মিডিয়া সামাজিক বন্ধন তৈরী করে। কথা মনে মিথ্যা নয়। পাশাপাশি একজনের থেকে আরেকজনকে দূরে সুরিয়ে দিচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ সাইটে একটি পোস্ট করা হলে এতে দিনের অনেক সময় চলে যায় এতে মানুষের কি রকম সাড়া পড়েছে তা দেখার জন্য। ভার্চুয়াল জগত আমাদের চাওয়া পাওয়ার মধ্যে জীবনটা স্তম্ভিত করে দিচ্ছে। এ জগত আমাদের জন্য নানা সুযোগ ও সম্ভাবনা তৈরী করেছে ঠিক তেমনি বাড়িয়ে দিয়েছে বিপদের আশঙ্কা।
এ অবস্থায় পরিবার, শিক্ষক ও অভিভাবকদের উচিত তরুণ-তরুণীদের সচেতনতার শিক্ষা দেওয়া।
নিজেরাও এ বিষয়ে সর্তক থাকা।
আবার কিছু তরুণ-তরুণী আছেন যারা নিজেদের বিনোদন জগত নিজেরাই তৈরি করেছেন। গড়ে তুলেছেন বিভিন্ন বাইকার গ্রুপ, সাইক্লিং গ্রুপ। আবার অভ্যন্তরীন পর্যটনের প্রতিও আগ্রহ বাড়ছে তরুণদের। বর্তমানে বিভিন্ন জনসেবামূলক কাজও করছেন তরুণরা যেমন পথশিশুদের পড়ানোর ব্যবস্থা করছেন। বঞ্চিতদের পাশে দাড়াচ্ছেন। বিয়ে বাড়ির উদ্ধৃত খাবার নিয়ে অভুক্তদের বিতরণ করছেন। বিভিন্ন দল বেধে রক্ত দানে এগিয়ে আসছেন। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে সামাজিক কাজ করছেন। অবশ্যই এগুলো আশার আলো। সর্বোপরি জয় হোক তারুণ্যের।
-লেখক: শিক্ষার্থী- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
আতিকুল ইসলাম টিটু:জাতীয় সংসদ ভবন শুধু একটি প্রশাসনিক স্থাপনা নয়; এটি জাতীয় সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র এবং জনগণের রাজনৈতিক ইচ্ছার সাংবিধানিক প্রতীক। সেই সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধী ...
।। মুক্তার হোসেন নাহিদ ।।হাইটিনা, জাপান্টিনা কিংবা নরওয়েন্টিনা—যে নামেই ট্রল করা হোক না কেন, আর্জেন্টিনার কট্টর সমর্থক হওয়ার পরেও আমি সবসময় ব্রাজিলের বিজয় কামনা করেছি। কারণ বিশ্ব ফুটবল উন্মাদনার ...
বিল্লাল বিন কাশেম:একটি দেশের উন্নয়নের সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি তার মানবসম্পদ। প্রাকৃতিক সম্পদ, অবকাঠামো কিংবা প্রযুক্তিগত অগ্রগতি যতই থাকুক না কেন, দক্ষ, সৃজনশীল ও কর্মমুখী জনগোষ্ঠী ছাড়া টেকসই উন্নয়ন স ...
আফসানা আরেফিন:আমরা এক অদ্ভুত প্যারাডক্স বা আপাত-বিরোধিতার গোলকধাঁধায় দাঁড়িয়ে আছি। পুঁজিবাদী উৎপাদনব্যবস্থা, সোশ্যাল মিডিয়ার কৃত্রিম কিউরেট করা জীবন এবং করপোরেট সংস্কৃতির পারফরম্যান্স রিভিউ সবকিছু মিলে ...
সব মন্তব্য
No Comments