ডেস্ক রিপোর্ট: আজ ৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী জাতীয় চার নেতাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।
হত্যার স্বীকার চার নেতা হলেন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রী ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এইচ এম কামরুজ্জামান।
এই হত্যাকান্ডের মাত্র আড়াই মাস আগে ১৫ আগষ্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু মেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর তার চার বিশ্বস্ত সহযোগীকে গ্রেফতার করে কারারগারে পাঠানো হয়। এ হত্যাকান্ডের স্মরণে এতি বছর ৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
চার নেতাকে হত্যার একদিন পর (১৯৭১ সালের ৪ নভেম্বর) তৎকালীন কারা উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন) আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে এই হত্যা মামলার রায় হয়। রায়ে রিসালদার মোসলেম উদ্দীন (পলাতক), মারফত আলি শাহ ও দফাদার মো. আবুল হাশেম মৃধাকে মৃত্যুদন্ডাদেশ এবং ১২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ দেওয়া হয়।
স্টাফ রিপোর্টার: সংবিধানে আল্লাহর প্রতি পূর্ণ ঈমান ও আস্থা পুনঃস্থাপন, নামাজ কায়েম এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে যাকাত ব্যবস্থা চালু করার দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান। সংসদ সদস্যদ ...
ডেস্ক রিপোর্ট: সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’সহ কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার সিদ্ ...
স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল রুটে ৭৩০টি বেয়ারিং প্যাড ত্রুটিপূর্ণ পাওয়ার বিষয়ে সংসদে ব্যাখ্যা দিয়েছেন সড়ক ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতী ...
স্টাফ রিপোর্টার: দেশে ভালো নির্বাচনের সংস্কৃতি চালু করতে চায় নির্বাচন কমিশন। এমন মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।তিনি আজ বুধবার (০৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর রাজ ...
সব মন্তব্য
No Comments