মোংলা থেকে মোঃ নূর আলমঃ করোনা ভাইরাস সংক্রমণের উর্ধগতি নিয়ন্ত্রণে পুরো মোংলা উপজেলায় চলছে কঠোর বিধি নিষেধ। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে, দ্বিতীয়বারের মত স্থানীয় প্রশাসনকে নতুন করে আরো সাত দিনের কঠোর বিধি নিষেধ আরোপ করতে হয়েছে। এ অবস্থায় নির্বাচন কমিশন ঘোষিত আগামী ২১ জুন ইউনিয়ন পরিষদের ভোট গ্রহণের তারিখ নির্ধারণে জনমনে শংকা দেখা দিয়েছে। এলাকার সাধারণ ভোটাররা করোনার ভয়াবহতার মধ্যে এখনই নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হলে প্রাঘাতি সংক্রমণ ঘরে ঘরে ছড়িয়ে যাবার আশংকা করছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কমলেশ মজুমদার বলেন, মোংলায় করোনা সংক্রমণ ভয়াবহ আকারে ছড়িয়েছে। সংক্রমনটির ভাইরাস সংক্রমণ হ্রাসে আমরা সাধারণ মানুষদের সচেতন করতে কঠোর বিধি নিষেধ আরোপ করেছি। এর মধ্যে একটা নির্বাচন হলে সেটি হবে খুবই আশংকাজনক পরিস্থিতি। এ আশংকার কথাটি ২/ সরকারের উচ্চ পর্যায়ে লিখিতভাবে জানানো হবে বলে তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের জানিয়েছেন। ভৌগলিক আর অর্থনৈতিক দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ন মোংলা উপজেলা এখন করোনা হটস্পটে পরিণত হয়েছে। র্যাপিড এন্টিজেন্ট টেস্ট বিবেচনায় সর্বোচ্চ আক্রান্ত ৭৪ শতাংশে পর্যন্ত দাড়িয়েছে। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে এখানে চলছে কঠোর বিধি নিষেধ। এমন পরিস্থিতিতে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে আগামী ২১ জুন ভোট গ্রহণের তারিখ ঘোষণা করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে দ্বিধা-দ্বন্ধ বিরাজ করছে। উপজেলার চাঁদপাই ইউনিয়নের বাসিন্দা মোঃ মুসা, মোঃ খোকন ও তানজিম হোসেন বলেন, করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে একদিকে কঠোর বিধি নিষেধ আবার একই সময়ে নির্বাচন! এটাতো মরন ডেকে আনা। উপজেলার আরেক ইউনিয়ন চিলার বাসিন্দা মোঃ আলম গাজী ও বিজন কুমার বদ্য বলেন, ‘করোনার মধ্যে কিভাবে নির্বাচন হয়? এতে আরো বেশি করোনা হবে’। এই সময়ে নির্বাচনের দরকার নেই বলেও মন্তব্য করেন তারা। এদিকে ভোট অনুষ্ঠানের সময় কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করতে হয় এমন সরকারী কর্মকর্তা, শিক্ষক, আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট অনেককেই মধ্যে এখানে করোনা সংক্রমণের এ উর্ধগতির সময় ভোট গ্রহণ নিয়ে উদ্বেগ ও উৎকন্ঠার মধ্যে থাকতে দেখা গেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এমন কয়েকজন জানান, করোনাকালীন সময়ে ভোট গ্রহণের সরকারী দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তারা নিজেরাসহ তাদের পরিবারকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে হবে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট এসব ব্যক্তিরাও এখানে ইউপি নির্বাচন স্থগিত চাইছেন। সুশাসনের জন্য নাগরিক ‘সুজন’র মোংলা উপজেলা কমিটির নেতা মোল্লা আল মামুন বলেন, ইউনিয়ন নির্বাচন হচ্ছে একটা উৎসব, এই নির্বাচনে চায়ের দোকানে, মাঠে ঘাটে সবাই গায়ে গায়ে মিলে মিশে একাকার হয়ে যাবে। করোনার সংক্রমণের উধর্źগতিতে মোংলায় নির্বাচন দেয়া হলে, যে ভয়াবহ অবস্থা দেখা দিবে তা মোকাবেলা করা অসম্ভ হয়ে পড়বে। মোংলা উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থী না থাকায় আ’লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে আছেন। তবে এখানে সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত আসনের সদস্যদের মধ্যে নির্বাচন হওয়ার কথা। ইউনিয়ন ছয়টিতে নারী ও পুরুষ মিলে মোট ভোটার রয়েছেন ৭৯ হাজার ৫৪০ জন।
ডেস্ক রিপোর্ট: ঢাকার ব্যস্ততম মার্কেট গাউছিয়াতে নারীদের প্রতিনিয়ত যৌন হয়রানির শিকার হতে হয় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কন্যা ড. শ ...
স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন ঈদুল আজহায় ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন ও স্বস্তিদায়ক করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। তিনি বলেন, মহাসড়কে যানজট, চাঁদাবাজি ও অতিরি ...
স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, এমপি বলেছেন, দেশের গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নিষ্ঠার সাথে কাজ করে গেছেন। দেশের ...
স্টাফ রিপোর্টার:বিচার বিভাগকে সক্রিয় করে শিশু নির্যাতনসহ সকল অপকর্মের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা সম্ভব বলে মনে করে জাতীয় শিশু কিশোর সংগঠন কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর। সংগঠনটির পক্ষ থেকে দ্রুত সময় ...
সব মন্তব্য
No Comments