জীবন-জীবিকা রক্ষায় নদ-নদী বাঁচাতে হবে ॥ নাগরিক সমাজ
খুলনা অফিস: বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত মানববন্ধন ও সমাবেশে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলেছেন, জীবন-জীবিকা রক্ষায় নদ-নদী বাঁচাতে হবে। নদী আমাদের অস্তিত্বের সঙ্গে জড়িত। কিন্তু সেই নদী ভাঙন, দখলে ও দুষণের শিকার। যে কারণে দেশে পরিবেশগত বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।
আজ রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) খুলনা জেলার পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদের পাড়ে মানববন্ধন শেষে প্লাস্টিক বর্জ্য পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়। ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) এবং সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন আয়োজিত কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন সচেতন সংস্থার সভাপতি বিদ্যুৎ বিশ্বাস। বক্তৃতা করেন অধ্যাপক বিশ্বনাথ ভট্টাচার্য্য, ইউপি সদস্য শঙ্কর বিশ্বাস, ডা. বাসুদেব রায়, অনির্বাণ লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক প্রভাত দেবনাথ, পরিবেশ কর্মী আফজাল হোসেন, সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের রিয়াদ হোসেন প্রমূখ।
মানববন্ধনে খুলনা জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত কপোতাক্ষ নদ ও শিবসা নদী দ্রুত খনন এবং উপকূলে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানান বক্তারা। তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা ওই অঞ্চলের মানুষের সীমাহীন সংকটের মুখোমুখী। এই সংকট মোকবেলায় মৃতপ্রায় নদীগুলো দ্রুত খনন করতে হবে। একইসঙ্গে উপকূলে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। খুলনা-পাইকগাছা মহাসড়ক দ্রুত সংস্কারের মাধ্যমে মানুষের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
দুর্যোগ কবলিত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদ-নদী খননে জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, একসময় কপোতাক্ষ ও শিবসা নদীতে লঞ্চ, স্টিমারসহ বিভিন্ন নৌযান চলাচল করতো। খুলনা ও সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটের মানুষ নৌপথে সহজেই যাতায়াত করতো। অথচ এক সময়ের প্রবল খরস্রোতা নদী দু’টি এখন পলি জমে ভরাট হয়ে চর জেগে উঠেছে। আবার কপোতাক্ষ পাড়ের বিভিন্ন স্থানে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। ফলে বর্ষা মৌসুমে জোয়ারের পানিতে পাইকগাছা বাজার প্লাবিত হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। নদীপাড়ের মানুষ দুর্যোগে-দুর্ভোগে জীবনযাপন করছে। জলাবদ্ধতার কারণে চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে জীবিকা হারিয়ে অনেকেই এলাকা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে।
বক্তারা বলেন, দেশের সিংহভাগ নদী দখল-দূষণ, অবহেলা ও তীব্র নাব্যতা সংকটে বিপন্নপ্রায়। আন্তঃসীমান্ত নদীর পানি নিয়ে ভারতের সঙ্গে ফারাক্কা বাঁধ ও তিস্তা ব্যারাজের মতো সমস্যা ছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মাঝে মধ্যে অতিবর্ষণ ও ঘূর্ণিঝড়-জলোচ্ছাস আঘাত হানছে। তাই বন্যা ও জলোচ্ছাস মোকাবেলায় নদীগুলোর পানি ধারণক্ষমতা বাড়ানো অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। তারা বলেন, ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সব নদ-নদী খনন করে গভীরতা বাড়াতে হবে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ-ভারতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত ৫৪টি আন্তঃসীমান্ত নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করতে হবে।
রাহাদ সুমন,বরিশাল ব্যুরো: প্রায় দেড় ঘন্টার তীব্র যানজটে আটকা পরে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী বিজি প্রেসের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুর রব সরদার (৬৭) অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যেই মৃত্যুবরন করেছেন। মৃত আব্দুর রব বর ...
বেলাল হোসেন ঠাকুরগাঁও: দুই দিনের সফরে নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে আচ্ছেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে জন্মভূমিতে তাঁর প্রথম আগমনকে ঘিরে সীমান্তঘেঁষা এই জেলায় এখন বইছে আ ...
রাজশাহী অফিস: রাজশাহী ও নাটোর জেলার বাস মালিক-শ্রমিকদের বিরোধের জেরে রাজশাহী থেকে ঢাকাসহ দেশের সব আন্তঃজেলা রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার পর থেকে শ্রমিকরা বাস চলাচল বন্ধ ক ...
রাহাদ সুমন, বরিশাল ব্যুরো: বরিশালের বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা ও বিটিভির সাবেক অনুষ্ঠান সহযোগী মোঃ আলমগীর হোসেন জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।তিনি উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএন ...
সব মন্তব্য
No Comments