কয়রা প্রতিনিধি: খুলনার কয়রায় গায়ে এসিড ঢেলে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে গৃহবধূ শামীমা নাসরিনের (৩২) বিরুদ্ধে। তবে ফাঁসানোর অভিযোগ অস্বীকার করে এটাকে ষড়যন্ত্র বলে দাবি অভিযুক্তের। এদিকে ঘটনা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন কয়রা থানা পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের কুচির মোড় সংলগ্ন এলাকায়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, শামীমার সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল একই গ্রামের আব্দুল খালেক ও লেয়াকত গংদের সাথে। প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজের গায়ে নিজেই এসিড জাতীয় পদার্থ ঢেলে তাদের মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। এর আগেও শামীমা এলাকার নিরীহ ও সাধারণ মানুষের নামে মামলা দেয় প্রতিহিংসার বশে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, তার গায়ে কেউ এডিস নিক্ষেপ করেছে কিনা। তা তার প্রতিবেশী ও স্থানীয়রা কেউ জানেনা। হঠাৎ সকালে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর তারা বিষয়টা জানতে পারেন। এলাকাবাসীর দাবি, এটা ওই মহিলার সম্পূর্ণ প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর ফাঁদ। এসময় এলাবাসী শামীমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ড, একাধিক বিয়ে ও অবৈধ স্থাপনের কথা বলেন।
প্রতিবেশী আব্দুল খালেক বলেন, শামীমাকে দিয়ে তার স্বজনেরা জোর করে ভয়-ভ্রীতি দেখিয়ে আমাদের জমি দখল করে খাচ্ছে। উল্টো বিভিন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে সংবাদ করিয়ে মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।
সরেজমিনে গেলে ছোট বাচ্চা কোলে নিয়ে কান্না বিজড়িত কন্ঠে সাবিনা বলেন, আমি কিছুই জানিনা। তার সাথে আমার কোন শত্রুতা নেই। জমি সংক্রান্ত বিরোধ পারিবারিক ও বংশগত। আমার বাচ্চা একেবারে ছোট। সে আমাকেও ছাড় দেইনি মিথ্যা মামলা দিতে। এসিড নিজের গায়ে দিয়ে আমাদের ভাসাতে চেষ্টা করছে।
শিক্ষিকা শামীমার প্রতিবেশী খায়রুল বলেন, তার বাড়ির পাশে আমার বাড়ি। রাতে এডিস মারবে তা অন্তত পক্ষে আমরা তো জানবো। আমরা মনে হচ্ছে, তাদের প্রতিপক্ষকে ফাসানোর পায়তারা করছে।
শামীমা নাসরিন বলেন, 'প্রতিদিনের ন্যায় নিজের ঘরে রাতে ঘুমিয়ে পড়ি। হঠাৎ গভীর রাতে শরীরে জ্বালা পোড়ায় চিৎকার চেঁচামেচি করে বাড়ির সকলকে ডাকি। ভোর সাড়ে ৫টায় পরিবার আমাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। তবে কে বা কারা এসিড নিক্ষেপ করেছে তা নিশ্চিত করতে পারেনি তিনি।'
শামীমা প্রথমে এমন বক্তব্য প্রশাসন ও গণমাধ্যমে দিলেও পরে পূর্বে যাদের সাথে জমি নিয়ে শত্রুতা তাদের নাম উল্লেখ করে। তাদের দোষারোপ করে মামলা করার চেষ্টাও করছে।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সুজিত কুমার বৈদ্য বলেন, মেজর তেমন কিছু দেখছি না, এসিড কিনা সন্দেহ হচ্ছে। এসিড হলে ক্ষত হতো। যতটুকু সমস্যা, সেটুকু এখানে চিকিৎসা সম্ভব। কিন্তু ভিকটিম খুলনায় যেতে চাচ্ছে তাই তাদের রেফার্ড করা হয়েছে।
কয়রা থানার অফিসার্স ইনচার্জ এ.বি.এম.এস. দোহা বিপিএম বলেন, সংবাদ পেয়ে আমি নিজেই হাসপাতালে গিয়ে তাদের সাথে সাক্ষাৎ করি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার প্রস্তুতি চলছে।
রাহাদ সুমন,বরিশাল ব্যুরো : সৌদি আরবে পবিত্র কাবা শরীফের সামনে দাঁড়িয়ে কাবা শরীফকে স্বাক্ষী রেখে বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন এক সক্রিয় বিএনপি কর্মী। মো. সাদ্দাম হাওলাদার নামের ওই বিএনপি কর্মী ব ...
মহাসিন মিঞা লিটন: বরিশালের উজিরপুরে বিএনপি'র ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য রেলি, আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে ।মঙ্গলবার ১ সেপ্টেম্বর বিকাল তিনটায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা ও পৌ ...
সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি: নাটোরের সিংড়ায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় সিংড়া বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আ ...
আনিছ আহমেদ(শেরপুর)প্রতিনিধি: শ্রীবরদী উপজেলা পরিষদের সরকারি আবাসিক এলাকায় দেয়াল ঘেঁষে দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই গরু পালন করে আসছেন উপজেলা পরিষদের ড্রাইভার এবং বর্তমানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ...
সব মন্তব্য
No Comments