ন্যাম ভবনে দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার, এমপি গাজী নজরুল ও প্রথম স্ত্রী পুলিশ হেফাজতে

প্রকাশ : 21 Sep 2026
ন্যাম ভবনে দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার, এমপি গাজী নজরুল ও প্রথম স্ত্রী পুলিশ হেফাজতে

স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের (সংসদ সদস্য ভবন) একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জিএম নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গাজী নজরুল ইসলাম এবং তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।


রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার ইবনে মিজান বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ জানায়, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা নিশ্চিত হতে, প্রয়োজনে আত্মহত্যায় প্ররোচনা আছে কি না তা খতিয়ে দেখতে তাদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।


তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মিজানুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে জানান, সিআইডির ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহের কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করেছে। এরপর থানা পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


তিনি জানান, তদন্তের স্বার্থে প্রাথমিক অবস্থায় সব তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না। সিআইডি ক্রাইম সিন টিম রিপোর্ট হস্তান্তর করার পর বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।


এর আগে সন্ধ্যায় ঢাকার শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মরিয়মকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় এমপি গাজী নজরুল ইসলাম একই ফ্ল্যাটের পাশের আরেকটি কক্ষে অবস্থান করছিলেন বলে জানা গেছে।


উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন গাজী নজরুল ইসলাম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একটি ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে দলীয়ভাবে তদন্ত করা হয়। তদন্তে ‘নৈতিক স্খলনের’ অভিযোগ প্রমাণ হয়েছে উল্লেখ করে গত ২২ জুলাই তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াতে ইসলামী।


সম্পর্কিত খবর

;