স্টাফ রিপোর্টার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গুলশানের ব্যক্তিগত বাসভবন ‘১৯৬, গুলশান এভিনিউ’কে ‘কী পয়েন্ট ইনস্টলেশন’ (কেপিআই) হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। গত জুন মাসে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। কেপিআই ঘোষণার ফলে বাসভবনটিতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।
গুলশান এভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বরের দোতলা এই বাড়িটি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নামে ১৯৮১ সালে বরাদ্দ পাওয়া দেড় বিঘা জমির ওপর নির্মিত। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ভাড়া বাসা ‘ফিরোজা’ ভবনের পাশেই এর অবস্থান। ২০২৫ সালে বাড়িটির মালিকানা দলিল আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। ২০২৬ সালে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকে তিনি সপরিবারে এখানেই বসবাস করছেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় না উঠে গুলশানের নিজ বাসভবনেই থাকবেন। কারণ তিনি অপেক্ষাকৃত ছোট এই বাড়িতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর থেকে বাড়িটি সে অনুযায়ী প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে রাষ্ট্রীয় সব অনুষ্ঠান যমুনাতেই অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে কূটনীতিক ও আলেমদের সম্মানে দুটি ইফতার অনুষ্ঠান যমুনায় আয়োজন করা হয়েছে। ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানও সেখানে হবে।
এর আগে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে গণভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকার সেটিকে জাদুঘরে রূপান্তর করে। অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাকে সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহার করেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় যমুনাকে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে প্রস্তুত করলেও শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী সেখানে উঠছেন না।
কেপিআই ঘোষণার পর থেকে ১৯৬, গুলশান এভিনিউতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বাড়িটির চারপাশে লোহার গ্রিল স্থাপন, সিসিটিভি ক্যামেরা ও সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গত ২১ ফেব্রুয়ারি বাড়ির সামনে থেকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার দাবিতে অবস্থান নেওয়া ৬ জনকে আটক করে গুলশান থানা পুলিশ।
প্রধানমন্ত্রীর গুলশানের বাসভবনটি এখন শুধু আবাসিক নয়, রাজনৈতিক কার্যালয় হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে। ঈদের ছুটিতেও প্রধানমন্ত্রী সেখান থেকেই জরুরি সরকারি কাজ পরিচালনা করছেন। বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের মেয়র, প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি, ঈদযাত্রা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম তদারকি করছেন।
সিলেট অফিস: অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, অপরাধী সে অপরাধীই, কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বা দলীয় অ্যাফিলিয়েশন দেখ ...
স্টাফ রিপোর্ট: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শিগগিরই সরাসরি সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত ৩১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক চ ...
স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, শেখ হাসিনার মাফিয়া শাসনামলে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে গুম ও ভীতির সংস্কৃতি গড়ে তোলা হয়। বিরোধী রাজনৈতিক মতা ...
স্টাফ রিপোর্টার: নতুন জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের সঙ্গে সাংবাদিকদের সুযোগ-সুবিধার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বল ...
সব মন্তব্য
No Comments