চট্টগ্রাম অফিস: রাঙামাটিতে গণসংহতি আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি, পেশা ও দলের শতাধিক নেতাকর্মী। আজ মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬, রাঙামাটি পার্বত্য জেলার সদরে নিউমার্কেটের আশিকা কনফারেন্স হলে গণসংহতি আন্দোলন-জিএসএর উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দলে যোগ দেন তারা। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জেলা কমিটির সাবেক আহ্বায়ক বিপিন জ্যোতি চাকমা, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক উজ্জ্বল চাকমা ও জাতীয় শ্রমিক শক্তির সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক কলিন্স চাকমার নেতৃত্বে রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সদস্যসহ শতাধিক ব্যক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে দলের সদস্য হন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গণসংহতি আন্দোলন-জিএসএর প্রধান সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত) দেওয়ান আব্দুর রশিদ নীলু। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিএসএর নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল। বিশেষ অতিথি ছিলেন জিএসএর রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফ রুমী, মনির উদ্দীন পাপ্পু, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শহীদ শিমুল, উবা থোয়াই মারমাসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল নতুন সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের উপস্থিতি আমাদের শক্তি যোগাবে। কারণ, আপনারা এই রাঙামাটি অঞ্চলের বিশেষ বৈশিষ্ট্য, পাহাড়ি অঞ্চলের জাতিসত্তাগত বৈশিষ্ট্যের প্রতিনিধিত্ব করছেন। আবার এখানে যারা বাঙালি আছেন তাদের সাথেও আপনাদের সম্পর্ক আছে। সেই সম্পর্ক ও এর পুনর্নির্মাণের প্রশ্ন নিয়েই আমরা এগিয়ে যাবো।
তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশকে এমন জায়গায় নিয়ে যেতে চাই, যেখানে সকল নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তাকে দেশের অস্তিত্বের সাথে ধরে রাখা যায়। পাহাড়িরা দাবি করলেই বিচ্ছিন্নতাবাদী বলার সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসতে হবে। পাহাড়িদের সমস্ত অধিকার দিলে কেন তারা বাংলাদেশ ছেড়ে অন্য জায়গায় যেতে চাইবে? সকলের অধিকারের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করাই ছিল চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য—বৈষম্যহীন বাংলাদেশ। এই লক্ষ্যে ছাত্র, শ্রমিক, যুবক, আদিবাসী, হিন্দু, মুসলমান, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ সকলে প্রাণ দিয়েছেন। কাউকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশ হবে না। এই রাজনীতিটাকে সামনে এগিয়ে নিতে আপনাদের সকলের অংশগ্রহণ প্রয়োজন।
সভাপতির বক্তব্যে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত) দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু বলেন, পাহাড়ে যারা বসবাস করেন তাদের সংস্কৃতি, মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। পাহাড়ের মানুষের আলাদা অস্তিত্বকে স্বীকার করতে হবে। বাংলাদেশ একটি বহু জাতির রাষ্ট্র, এই হিসেবে নতুন করে রাষ্ট্রকে গঠন করতে হবে।
বাংলাদেশ যুব ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সদস্য শুভাশীষ ভট্টাচার্য ও বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শ্রীধাম কুমার শীলের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে এনসিপির জেলা কমিটির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক দিবাকর চাকমা, সাবেক দপ্তর সম্পাদক প্রনব বিকাশ চাকমা, সাবেক গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক সাগরিকা চাকমা, সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক উষাপ্রু মারমা, শ্রমিক শক্তির সাবেক সংগঠক সোলাইমান মিয়া আকাশসহ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার ব্যক্তিবর্গ গণসংহতি আন্দোলনে যোগ দেন।
স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্র ...
স্টাফ রিপোর্টার: দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি এবং জনজীবনে নিরাপত্তাহীনতায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ।আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) জাসদ কেন্দ্রীয় ...
বিশেষ প্রতিনিধি: বিএনপি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করে না, জনগণের জন্য রাজনীতি করে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) নরসিংদীর পলাশ ...
স্টাফ রিপোর্টার: চলমান গ্যাসের সংকট আগামী সাত দিনের মধ্যে কেটে যাবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠ ...
সব মন্তব্য
No Comments