ডেস্ক রিপোর্ট: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে চলতি বছরের শেষ সপ্তাহে। সরকারী দল ও বিরোধী দল, দুপক্ষই মনে করছে, নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের সমঝোতা করলে তাদের নৈতিক পরাজয় ঘটবে। ২০১১ সালে তত্ত্বাাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল হয়েছে উচ্চ আদালতের একটি রায়ের ভিত্তিতে, সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচন করেছে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার। দলটির সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত বুধবার সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট করে বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় নির্বাচন। আর দলের একাধিক শীর্ষনেতা বলেছেন, নির্বাচনের আগে ভাঙ্গছে না সংসদ এবং শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচন হবে। অন্যদিকে বিএনপিসহ সমমোনা কয়েকটি দল নিরপেক্ষ বা তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনে সরকারকে বাধ্য করা হবে বলে বিভিন্ন সভা সমাবেশে হুশিয়ারী দিচ্ছে। খবর আমাদের সময়. কম
সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক আমাদের নতুন সময়কে বলেন, সংবিধানে নির্বাচনকালীন সরকারের সুনির্দিষ্ট কোন রূপরেখা নেই। সংবিধানকে সমুন্নত রেখে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের বিকল্প ব্যবস্থা রয়েছে দুটি। তিনি বলছেন, একটি সর্বদলীয় সরকার গঠনের পথ রয়েছে। আর অন্যটি হলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ।
তিনি বলেন, সর্বদলীয় সরকার গঠন করতে সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেশে রাষ্ট্রপতি যেকোনো সময় সংসদ ভেঙ্গে দিতে পারেন। তখন আর কেউ সংসদ সদস্য থাকছেন না। তখন নির্বাচনের প্রার্থীদের মধ্যে সমতা আসবে। নব্বই দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সরকার প্রধান মন্ত্রী পরিষদ ছোট করে সেখানে বিরোধী দলের দুই টেকনোক্রাট মন্ত্রী নিতে পারবেন।
আবার সংসদের মেয়াদ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে সংবিধান অনুযায়ী আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদের যে কোন সদস্য প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।
নির্বাচনকালীন সরকারের মধ্যস্থতায় আসার কোন ধরণের লক্ষণ দলগুলোর মধ্যে দেখা যাচ্ছে না উল্লেখ করে নির্বাচন বিশেষজ্ঞ তোফায়েল আহম্মেদ আমাদের নতুন সময়কে বলেন, নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে দেশে দেখা দিচ্ছে রাজনৈতিক সংকট। এখন দেখার বিষয় হলো সংবিধানকে সমুন্নত রেখে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নির্বাচন করা এবং এই নির্বাচনকে কতটা ফেয়ার করতে পারে তার উপর। আর সংবিধানের বাইরে থেকে বিএনপি তাদের কতটুকু দাবি আদায় করতে পারে।
তবে বিএনপি এই বিষয়ে সমঝোতা করে সাধারণ জাতীয় নির্বাচনে আসবে কি না তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা। আবার ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগও নির্বাচনের আগে সংসদ ভাঙ্গার কোন ধরনের ঈঙ্গিত দিচ্ছে না। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি একে অপরের প্রতি অনাস্থা ও বিপরীতমুখী অবস্থানের কারণে দেশের রাজনৈতিক সংকট ও সংঘাতের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
স্টাফ রিপোর্টার: গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করতে বিরোধী দলকে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের প্রস্তাব তো ...
স্টাফ রিপোর্টার:সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের কার্যপরিধি নিয়ে বিরোধী দলের উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে দেশে একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো চেষ্টা নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহ ...
স্টাফ রিপোর্টার: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংসদকে জানিয়েছেন, ধনী ব্যক্তি ও বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানের কর ফাঁকি রোধে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি জোরদার করছে সরকার। একই সঙ্গে রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা নি ...
রংপুর অফিস: গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন বন্ধ এবং জনদুর্ভোগ নিরসনের দাবিতে রংপুরে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার বিকেলে রংপুর ...
সব মন্তব্য
No Comments