চট্টগ্রাম অফিস: অব্যাহত ভারী বর্ষণে বান্দরবান পার্বত্য জেলাজুড়ে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় ঝুঁকি সৃষ্টি হওয়ায় জননিরাপত্তার স্বার্থে আগামী ১০ জুলাই শুক্রবার পর্যন্ত জেলার সব পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। সোমবার ৬ জুলাই রাতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পর্যটন সেল থেকে জারি করা জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সানিউল ফেরদৌস স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পর্যটক ও সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী, ১০ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবানের সব পর্যটন কেন্দ্র, ঝর্ণা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম এলাকা এবং অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে ভ্রমণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। এ সময় পর্যটক, ট্যুর অপারেটর, স্থানীয় বাসিন্দাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন এবং জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। আবহাওয়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণে বান্দরবানের সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলা সদর, রুমা, থানচি, রোয়াংছড়ি, লামা ও আলীকদম উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। হাফেজ ঘোনা, বাস স্টেশন, আর্মি পাড়া ও ইসলামপুর এলাকায় পাঁচ থেকে সাত ফুট পানি উঠেছে। বৃষ্টিপাতে পাহাড়ধসের আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরতদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিচ্ছে প্রশাসন। লামা উপজেলায় পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকার আট পরিবারের ৩৬ সদস্যকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন জানিয়েছেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১৯২টি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং ৪১টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বন্যাদুর্গতদের জন্য ২০ টন চাল ও ১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে শুকনা খাবার বিতরণ শুরু হয়েছে। সেনাবাহিনী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছেন।
বান্দরবান মৃত্তিকা সংরক্ষণ ও পানি বিভাজিকা ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। বৃষ্টির কারণে এর আগে গত ১৮ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত রোয়াংছড়ির দেবতাখুম পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ রাখা হয়েছিল। আবহাওয়া অনুকূলে এলে পুনরায় পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। তবে এবার পুরো জেলার সব পর্যটন স্পট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।
টানা বৃষ্টিতে জেলা সদরের সঙ্গে থানচি, রুমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ ও পানির সংকটেও ভুগছেন স্থানীয়রা। পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের ঝুঁকি থাকায় প্রশাসন মাইকিং করে জনসাধারণকে সতর্ক করছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে এবং প্রয়োজনে সময়সীমা বাড়ানো হতে পারে।
মহাসিন মিঞা লিটন: বরিশালের উজিরপুরে বিএনপি'র ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য রেলি, আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে ।মঙ্গলবার ১ সেপ্টেম্বর বিকাল তিনটায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা ও পৌ ...
সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি: নাটোরের সিংড়ায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় সিংড়া বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আ ...
আনিছ আহমেদ(শেরপুর)প্রতিনিধি: শ্রীবরদী উপজেলা পরিষদের সরকারি আবাসিক এলাকায় দেয়াল ঘেঁষে দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই গরু পালন করে আসছেন উপজেলা পরিষদের ড্রাইভার এবং বর্তমানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ...
সুজয় ঘোষ, নড়াইলঃ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের আয়োজনে নড়াইলে ভোক্তা অধিকার সংক্ষণ আইন-২০০৯ বিষয়ক এক সচেতনতামূলক সভা এবং ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ফলজ ও বনজ বৃক্ষের চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভ ...
সব মন্তব্য
No Comments