স্টাফ রিপোর্টার: বাংলা একাডেমি বুধবার (১৩ইনভেম্বর) বিকেল ৪টায় একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ৭৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সেমিনারের আয়োজন করে। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সংস্কৃতি, পত্রিকা ও মিলনায়তন বিভাগের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ড. সরকার আমিন। ‘হুমায়ূন আহমেদ ও বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কথাসাহিত্যিক সালাহ উদ্দিন শুভ্র। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন অধ্যাপক আহমেদ মাওলা ও অধ্যাপক সুমন রহমান। হুমায়ূন আহমেদ বিষয়ে তাৎক্ষণিক মূল্যায়ন উপস্থাপন করেন কবি ও কথাশিল্পী কাজল শাহনেওয়াজ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম।
ড. সরকার আমিন বলেন,হুমায়ূন আহমেদ একটি আনন্দের নাম। অসুখী সময়ে ও স্বদেশে তিনি তাঁর লেখার মধ্য দিয়ে স্বস্তি ও আনন্দের বার্তা বয়ে আনতেন। তিনি সত্যিকারের জাদুকর লেখক।
সালাহ উদ্দিন শুভ্র বলেন,হুমায়ূন আহমেদ বাংলা সাহিত্যে বড় ঘটনা- এটা নিঃসন্দেহে বলা যায়। এর প্রধান কারণ হলো পাঠক। তিনি যে বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন তা শিক্ষিত মধ্যবিত্ত বাংলাদেশের সমাজে আর ঘটেনি। তিনি খোদ ঢাকায় বসে, সংস্কৃতির কেন্দ্র যে মধ্যবিত্ত তার ভেতরে ঢুকতে পেরেছেন। যে কারণে তাঁকে নিয়ে আলাপ করতে আমরা বাধ্য হই। তিনি বলেন,হুমায়ূন আহমেদের এই জনপ্রিয়তার সাহিত্যিক বা রাজনৈতিক গুরুত্বকে অস্বীকারের উপায় নাই। তাকে বুঝার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের একটি অংশের মনোজগতঅনুধাবন সম্ভব।
আলোচকদ্বয়বলেন,হুমায়ূন আহমেদ পূর্ববঙ্গের সমাজ ও মানুষকে যেভাবে তাঁর সাহিত্যে ধারণ করেছেন, তা তাঁকে পাঠকপ্রিয়তা দিয়েছে। একইসঙ্গে সাহিত্যমানের বিচারেও তিনি অনন্য। তারা বলেন, হুমায়ূন আহমেদ তাঁর লেখার মধ্য দিয়ে তাঁকে পাঠের অনিবার্যতা তৈরি করেছেন। সংলাপ-প্রধান কথাসাহিত্যিক রচনায় তিনি অনেকক্ষেত্রে বর্ণনার প্রয়োজনও পাঠককে ভুলিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁর রসবোধ, অতিপ্রাকৃতিকতা-প্রীতি কিংবা কল্পবৈজ্ঞানিক পরিপ্রেক্ষিত- সবকিছুর কেন্দ্রেই ছিল বাংলাদেশের গ্রামীণ ও নাগরিক মধ্যবিত্ত। তাদের ক্ষয়িষ্ণু জীবনকে অনন্য বিভায় নিজের লেখায় আমৃত্যু তুলে ধরেছেন হুমায়ূন আহমেদ।
কাজল শাহনেওয়াজ বলেন, বিশেষত আশির দশকে টেলিভিশনকে কেন্দ্র করে আমাদের সামাজিক আলোড়ন হুমায়ূন আহমেদ অসাধারণভাবে ধারণ করেছেন।
অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বলেন,হুমায়ূন আহমেদ এখনও যথেষ্ট অপঠিত লেখক। কারণ আমাদের পাঠ-পরিসরে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ রচনা যথাযথভাবে মূল্যায়িত হতে দেখা যায় না। আমাদের গুরুভার সাহিত্যালোচনার সীমানাতেও হুমায়ূন প্রায়শই অনুপস্থিত থাকেন, যা কোনোভাবেই বাংলাদেশের সাহিত্যের জন্য সুখকর খবর নয়। তিনি বলেন, হুমায়ূন আহমেদতত্ত্বশাসিত চোখের বাইরে দেখতে চেয়েছেন এবং পেরেছেন মুক্তিযুদ্ধকে। প্রেমকে আবিষ্কার করেছেন ‘আমি-তুমি’র প্রথাগত পরিধির বাইরে গিয়ে। উত্তরপ্রজন্মের কাছে হুমায়ূন আহমেদ নিশ্চিতভাবেই নতুন পাঠ ও পর্যালোচনা নিয়ে হাজির হবেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলা একাডেমির সহপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ড. মাহবুবা রহমান।
স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন অভিনেতা শিবা শানু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন অভিনেতা জয় চৌধুরী। শনিবার ভ ...
স্টাফ রিপোর্টার: মৃত্যুর প্রায় ৩০ বছর পর চিত্রনায়ক সালমান শাহর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের অনুমতি বাতিল করেছেন আদালত। মঙ্গলবার ২৩ জুন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালত বাদীপক্ষের আবে ...
স্টাফ রিপোর্টার: বিশ্বকাপ উন্মাদনায় কাঁপছে সারা বিশ্ব। ব্যতিক্রম নয় বাংলাদেশের তারকা অঙ্গনও। বরাবরের মতোই লিওনেল মেসির দল আর্জেন্টিনার কট্টর ভক্ত ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি। সামাজ ...
স্টাফ রিপোর্টার: ‘ন ডরাই’ খ্যাত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নির্মাতা তানিম রহমান অংশু দীর্ঘ বিরতির পর নতুন পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবিটির ...
সব মন্তব্য
No Comments