স্টাফ রিপোর্টার: বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) বিজয়া দশমীর দিনে, সারাদেশের হাজারো পূজিমন্ডপে 'বিজয়'র আবেহময় মুহুর্তে বিদায় জানানো হলো দেবী দুর্গাকে। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও গ্রামাঞ্চলেও ধর্মীয় ভাবগাম্ভার্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় বিসর্জন।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই মন্ডপগুরোতে শুরু হয় সন্ধিপুজো, দর্পন বিসর্জন ও প্রণাম। পূজারীদের মধ্যে ছিল মিশ্র অনুভূতি-একদিকে আনন্দ, অন্যদিকে দেবীকে বিদায়ের বেদনা। নারীরা একে অপরকে সিঁদুর পরিয়ে দেন, চলে মিষ্টিমুখ ও কোলাকুলি। শিশু-কিশোরদের পদচারণায় উৎসবমুখর হয়ে ওঠে মন্ডপ এলাকা।
রাজধানীে রমনা কালি মন্দির, ঢাকেশ্বরী মন্দির, বনানী, শাঁখারীবাজার, ওয়ারীসহ বিভিন্ন পূজা মন্ডপ থেকে বিকেল থেকে শুরু হয় প্রতিমা বিসর্জনের শোভাযাত্রা। হাজারো ভক্তদের অংশ গ্রহণে , ঢাক-ঢোল, উলুধ্বনি, চাঁদমালা, ধুনুচি নাচসহ বর্ণিল আঢোজনের মধ্য দিয়ে প্রতিমা পৈঁছে দেওয়া হয় বুড়িগঙ্গা, বুরিগ ও বালু নদীতে।
রবিবার ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু হয়েছে। সপ্তমী তিথিতে সকাল ৭টা ৫৫ মিনিটে দেবীর নবপত্রিকা প্রবেশ, স্থাপন, সপ্তম্যাদি কল্পারম্ভ ও সপ্তমী বিহিত হয়। এরপর অঞ্জলী প্রদান করেন ভক্তরা।
দুর্গা শব্দের অর্থ হলো ব্যুহ বা আবদ্ধ স্থান। যা কিছু দুঃখ কষ্ট মানুষকে আবদ্ধ করে তা থেকে তিনি ভক্তকে রক্ষা করেন।
মহা চন্ডীর বর্ননা অনুযায়ী, ত্রেতা যুগে ভগবান রাজা রাম চন্দ্র দশানন রাবণের সঙ্গে যুদ্ধে রত হন। পাপের বিনাশের লক্ষ্যে দেবী আর্দ্যাশক্তি মহামায়ার কাছে শক্তি বৃদ্ধির আশায় শরৎকালে তার পূজা করিতেছিলেন এবং যুদ্ধে জয়লাভ করে দেবী সীতাকে উদ্ধার করেন। এবং রাবণকে হত্যা করতে সকাষম হন রাম চন্দ্র। সেই থেকে প্রতিবছর শরৎকালে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা দূর্গাোৎসব পালন করে আসছেন।
বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার সমাপ্ত হয়।
গত ২১ সেপ্টেম্বর শুভ মহলয়ার মধ্য দিয়ে দেবীপক্ষের সূচনা হয়েছে। পূজার এই সূচনাটি সারাদেশে আড়ম্বরের সঙ্গে উদযাপিত হয়।
এ বছর দেবী দুর্গা আসছেন গজে (হাতী) করে। বিদায় নেন দোলায় (পালকি)।
এ বছর সারাদেশে স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলে ৩৩ হাজার ৩৫৫টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরে রয়েছে ২৫৮টি পূজামণ্ডপ। মন্দির ও পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। সিসিটিভি ক্যামেরা ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। পূজা চলাকালে সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ছাড়াও স্বেচ্ছাসেবক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে।
দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজধানীসহ সারাদেশে প্রতিটি পূজা মন্ডবে পুলিশ, আনসার, বিজিবি, র্যাব এবং সেনা বাহিনী, নৌবাহিনী ও পোষ্টগার্ড নিরাপত্তার দ্বায়িত্বে ছিলেন। ঢাকেশ্বরী মন্দির মেলাঙ্গনে মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়।
স্টাফ রিপোর্টার: খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও লক্ষ্মীপুর জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। একই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ী দমকা ...
স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীর কালশী বস্তিতে লাগা ভয়াবহ আগুন প্রায় সোয়া দুই ঘণ্টা চেষ্টার পর নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ১৩টি ইউনিট কাজ করেছে।ফায়ার সার্ভ ...
স্টাফ রিপোর্টার: সরকারের ১০০ দিনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় নেওয়া ৬০টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ৬২ শতাংশ বাস্তবায়িত হয়েছে। সোমবার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে সরকারের ১০ ...
ডেস্ক রিপোর্ট: জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশগত অবক্ষয় ও বন উজাড়, একক ফসলভিত্তিক বাগান সম্প্রসারণ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণের মতো মানবসৃষ্ট কর্মকাণ্ড পার্বত্য চট্টগ্রামের (সিএইচটি) আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ওপর ক্রম ...
সব মন্তব্য
No Comments