দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ায় যথাযত মর্যাদায় ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত হলেও ব্যতিক্রম ঘটেছে দৌলতপুর উপজেলায়। এখানে উপজেলা প্রশাসন দায়সারা ভাবে দিবসটি উদযাপন করেছে। এখানে ছিল না স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের কুচকাওয়াজ, শরীরচর্চা প্রদর্শন ও সালাম গ্রহণ। ছিল না খেলা-ধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্মৃতিসৌধেও কোন সংগঠনকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে দেখা যায়নি। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বীর মুক্তিযোদ্ধা, সুধীজন ও স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের। উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তানদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটিও ছিল দায়সারা ও অগুছালো। উপস্থিতি ছিল মাত্র ৫০ থেকে ৬০ জনের মত। অথচ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসকে ঘিরে উপজেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ কালেকশন বা চাঁদাবাজি করেছে। চাঁদাবাজির হাত থেকে বাদ পড়েনি নিষিদ্ধ ইটভাটার মালিকরা, অবৈধ ক্লিনিক, ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, শিল্প কলকারখানা, বিড়ি কারাখানা, তামাক ক্রয় কেন্দ্র, স-মিল, লেদ কারখানা, বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, সার ও বীজের ডিলার, এমনকি বাদ পড়েনি ব্রেড ফ্যাক্টরী ও মুদি দোকানও। দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসের বদলি হওয়া অফিস সহকারী শিশির কুমার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে বিগত সময়ের ন্যায় এ বছরও অর্থ কালেশন বা চাঁদাবাজির অর্থ সংগ্রহ করেছেন। দিবসটি যথাযথ মর্যদায় উদযাপনের লক্ষ্যে নিষিদ্ধ ইটভাটা মালিক, বিভিন্ন সংগঠন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও কল কারখানার মালিক মহান বিজয় দিবসের ন্যায় এবারের স্বাধীনতা দিবসেও প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা অর্থ সহায়তা দিলেও দিবসটি পালনে ছিল দায়সারা ও অবহেলিত। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তানদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হলেও সে খাবার ভ্যান ভর্তি হয়ে বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় সরবরাহ হতে দেখা গেছে। আবার খাবার না পেয়ে ফিরেও গেছেন অনেকে।
উপজেলা বাজারে অবস্থান করা বীর মুক্তিযোদ্ধা কাওছার আলী বিশ^াস ও আসমত আলী মাষ্টারের সাথে কথা হলে তারা জানান, বর্তমান ইউএনও স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস বা শহীদ দিবস কোন জাতীয় দিবসে আমাদের দাওয়াতপত্র দেন না বা আমন্ত্রণও জানান না। যা স্বাদীনতার ৫৫ বছরের ইতিহাসে এমন ঘটেনি। এটা একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নিজেদের কাছে লজ¦ার ও অপমানের। একই কথা জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সাইদুল আনাম। তিনি বলেন, দৌলতপুরে এই ইউএনও যোগ দেওয়ার পর জাতীয় কোন অনুষ্ঠানে আমাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়না।
দৌলতপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রবীন সাংবাদিক এম মামুন রেজা ও সিনিয়র সাংবাদিক এম এ রাজ্জাক জানান, এবারের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে আমাদের বা দৌলতপুর প্রেসক্লাবকে আমন্ত্রণ পত্র দেওয়া হয়নি বা ফোন করেও জানানো হয়নি। অথচ উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন দৌলতপুর প্রেসক্লাব কার্যালয়। বর্তমান ইউএনও কাদের নিয়ে এবারের স্বাধীনতা দিবসের জাতীয় অনুষ্ঠান করলেন আমাদের জানা নেই।
দায়সারা ভাবে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানের বিষয়ে জানতে চাইলে দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল হাই সিদ্দিকী বলেন, জনে জনে দাওয়াত দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব না। দিবসকে ঘিরে সর্বোচ্চ অর্থ কালেকশনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি অফিসে আসেন বলে ফোন কেটেন দেন।
এমন দায়সারা ভাবে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালনে ক্ষোভ প্রকাশ করে উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ।
অনিক রায়, ফরিদপুর অফিস: ফরিদপুরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভার আয়োজন করেছেন। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা প্রশ্নপত্রের ...
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি।। সাতক্ষীরায় দ্বিতীয় শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে (৮) ফুসলিয়ে ছাদ নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত ১২ জুলাই (রোববার) বিকেলে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের কুলতিয়া পশ্চিমপা ...
আনিছ আহমেদ ,শেরপুর : “এক দেশ এক কিউ আর লেনদেনে বাংলা কিউ আর” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সোমবার (১৩ জুলাই) থেকে তিনদিনব্যাপী “ক্যাশলেস বাংলাদেশ” শীর্ষক সচেতনতামূলক সভার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছেপূবালী ব্য ...
পিরোজপুর অফিস: প্রবীণ নাগরিকদের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সেবা প্রাপ্তির অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণে পিরোজপুরে এক দিনব্যাপী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে পিরোজপ ...
সব মন্তব্য
No Comments