আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-কানেল, তাঁর স্ত্রী, সৎছেলে এবং সাবেক নেতা রাউল কাস্ত্রোর পরিবারের সদস্যসহ বেশ কয়েকজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর গত বৃহস্পতিবার নতুন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্যে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে কিউবার বিপ্লবী সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রণালয়, কমিটিজ ফর দ্য ডিফেন্স অব দ্য রেভল্যুশনসহ (সিডিআর) আরও কয়েকটি সংস্থাকে স্পেশালি ডেজিগনেটেড ন্যাশনালস তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে।
মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল (ওএফএসি) জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞার তালিকায় প্রেসিডেন্ট দিয়াজ-কানেলের স্ত্রী লিস কুয়েস্তা পেরাজা ও তাঁর ছেলে ম্যানুয়েল আনিদো কুয়েস্তা, রাউল কাস্ত্রোর ছেলে আলেহান্দ্রো কাস্ত্রো এস্পিন এবং নাতি রাউল আলেহান্দ্রো কাস্ত্রো কালিসের নাম রয়েছে। নিষেধাজ্ঞার ফলে যুক্তরাষ্ট্রে তাদের সম্পদ জব্দ করা যাবে এবং মার্কিন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাদের সঙ্গে কোনো ব্যবসায়িক সম্পর্ক রাখতে পারবে না।
এটি ট্রাম্প প্রশাসনের কিউবার বিরুদ্ধে চলমান ‘সর্বোচ্চ চাপ’ নীতির অংশ। হোয়াইট হাউসের নির্বাহী আদেশে বলা হয়েছে, কিউবা সরকার ‘যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অস্বাভাবিক ও অসাধারণ হুমকি’ তৈরি করছে। একই আদেশে কিউবায় তেল সরবরাহকারী দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের হুমকি দেওয়া হয়েছে। গত জানুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্র কিউবায় অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানি পণ্য সরবরাহ বন্ধে ‘বহির্দেশীয় শুল্ক ব্যবস্থা’ চালু করে, যাকে জাতিসংঘ ‘জ্বালানি অবরোধ’ বলে সমালোচনা করেছে।
নিষেধাজ্ঞার প্রতিক্রিয়ায় প্রেসিডেন্ট দিয়াজ-কানেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অজুহাতে’ কিউবার অর্থনীতিকে ‘শ্বাসরোধ’ করতে চাইছে। তিনি একে ‘নৃশংস গণহত্যামূলক অবরোধ’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘সৎ কোনো মানুষই মেনে নিতে পারে না যে কিউবা হুমকি’। কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজও নিষেধাজ্ঞাকে ‘একতরফা জবরদস্তিমূলক ব্যবস্থা’ ও ‘কিউবার জনগণের ওপর সম্মিলিত শাস্তি’ বলে নিন্দা করেছেন। তিনি বলেন, এসব পদক্ষেপ জাতিসংঘ সনদের লঙ্ঘন এবং বহির্দেশীয় প্রয়োগের মাধ্যমে তৃতীয় দেশের সঙ্গে কিউবার সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ১৯৬২ সাল থেকে কিউবার ওপর প্রায় পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা বজায় রেখেছে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে প্রেসিডেন্ট দিয়াজ-কানেল ও দুই মন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। সর্বশেষ ঘোষণার পর বিশ্লেষকরা বলছেন, নতুন নিষেধাজ্ঞা কিউবার জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, খনি ও আর্থিক খাতকে লক্ষ্য করে দেওয়া হয়েছে এবং তৃতীয় দেশের ব্যাংকগুলোর ওপর আর্থিক নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কিউবা সরকার অবশ্য জানিয়েছে, ‘দেশ, বিপ্লব ও সমাজতন্ত্র ধারণা ও অস্ত্র দুটো দিয়েই রক্ষা করা হবে’।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে এক মাস আগে ফ্রান্সে শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলন এখনও অব্যাহত রয়েছে। আন্দোলনে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গত এক মাসে শুধু রাজধানী প্যারিস অঞ্চল থেকেই রেকর্ড ১ ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাশিয়ার সুদূর পূর্বাঞ্চলের কামচাটকা উপদ্বীপে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ১৫ অক্টোবর বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিটে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়।আন্তর্জাতিক সং ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর পেশোয়ারে একটি বেসরকারি বিদ্যালয়ের ছাদ ধসে অন্তত ২৭ শিক্ষার্থী ও এক শিক্ষক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলার সময় এ মর্ ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের লাগাতার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার জেরে চরম নিরাপত্তা সংকটে পড়েছে সৌদি আরব। রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরপর হামলার পর বিমানবন্দর ...
সব মন্তব্য
No Comments