স্টাফ রিপোটার: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, আজকে খালেদা জিয়া যদি মুক্ত থাকতেন তাহলে শেখ হাসিনা দেশটা নিয়ে যা ইচ্ছে তা করতে পারতেন না। তাকে আবদ্ধ রাখা মানে হচ্ছে দেশকে শৃঙ্খলিত করে রাখা।
তিনি বলেন, প্রত্যেক মানুষকে আগে দেশকে ভালবাসতে হবে। তারপর দল ও ব্যক্তি। আর দেশকে ভালবাসার প্রতীক হচ্ছেন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া।
বুধবার বিকালে নয়াপল্টনের ভাসানী মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে এক যৌথসভার তিনি এসব কথা বলেন। আগামী শনিবার বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে দলটির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আহুত সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর সিনিয়র নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, ১/১১ তে আমিও জেলখানায় ছিলাম। সেসময় আওয়ামী লীগের অনেক সিনিয়র নেতারাও কারাগারে ছিলেন। আমি মুক্তি পাবার দুইমাস পর খালেদা জিয়া মুক্তি পেয়েছিলেন। জেলখানায় খালেদা জিয়াকে ১/১১ সরকার কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছিলো। সে প্রস্তাব মানলে তাকে মুক্তি দেওয়া হবে এবং রাজনীতি করতে কোনো বাধা দেওয়া হবে না। সে শর্ত মানলে দেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির সম্মুখীন হতো। তাই সেদিন খালেদা জিয়া কোনো আপোষ করেননি। কিন্তু সেই একই প্রস্তাব মেনে নিয়ে শেখ হাসিনা আজ প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, আমরা খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা দাবি নিয়ে আন্দোলন করছি না, মুক্তি দাবি নিয়ে আন্দোলন করছি। এখন সকলকে সকল কাজ বাদ দিয়ে দলের জন্য দেশের জন্য এবং খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য লড়াই করতে হবে। সাহস করে রূখে দাঁড়াতে হবে। আন্দোলনে নেমে ঘরে ঢুকে যাবো এমন যাতে না হয়।
মির্জা আব্বাস দলীয় নেতাদের সমালোচনা করে বলেন, সমাবেশে কোনো দলীয় নেতার শ্লোগান হবে না, ব্যানারে খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান ছাড়া কোনো ব্যক্তি ছবি রাখা যাবে না। অনেক মহাপুরুষকে দেখি বিএনপি কার্যালয়ের আশপাশে নিজের বিশাল ছবি দিয়ে ব্যানার টাঙ্গিয়ে রাখে। তাদের কিন্তু মাঠে দেখা যায় না। ব্যস্ত থাকেন চামচামিতে।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনুর সভাপতিত্বে যৌথসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এতে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহিদ চৌধুরী এ্যানী, অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সায়েদুল হক বাবুল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটু, সহ দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, নির্বাহী কমিটির সদস্য হাবিবুর রশিদ হাবিব, মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদ্য বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ইউনুস মৃধা, মোশাররফ হোসেন খোকন, আব্দুস সাত্তার, আ ন ম সাইফুল ইসলাম, হারুন উর রশিদ হারুন, লিটন মাহমুদ, এসকে সিকান্দার কাদির, মনির হোসেন চেয়ারম্যান, সাইদুর রহমান মিন্টু, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জহির উদ্দিন তুহিন, পাপ্পা সিকদার, যুবদলের এমএ গাফফার, শ্রমিক দল নেতা বদরুল আলম সবুজ, ছাত্রদলের খালিদ হোসেন জ্যাকি, সোহাগ ভূইয়া প্রমুখ।
স্টাফ রিপোর্টার: গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দেওয়া নেতা রাশেদ খান বলেছেন, ‘ক্যান্টনমেন্টের স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পর নাহিদ ইসলাম এক দফার ঘোষণা করেছিলেন।’ জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে শুক্রবার, ১৭ ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাজ্যসভায় পরপর উইকেট পতনে আরও চাপে পড়ল তৃণমূল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার রাজ্যসভার চেয়ারম্যান তথা উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণণের কাছে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিলেন অভিনেত্রী-সাংসদ কোয়েল মল্ ...
স্টাফ রিপোর্টার: স্বাধীনতা সংগ্রামী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জাসদের এককালীন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জাফর সাজ্জাদ খিচ্চুর ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভা করেছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ। আজ ১৬ জুলাই ২০২ ...
ডেস্ক রিপোর্ট: রথযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই দুপুরে রাজধানীর স্বামীবাগে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনাম ...
সব মন্তব্য
No Comments