নাটোর প্রতিনিধি: নাটোর-২ (সদর ও নলডাঙ্গা) আসনের সাবেক এমপি শফিকুল ইসলাম শিমুলের বিরুদ্ধে আরো দুটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে সদর উপজেলার উত্তর বড়গাছা গ্রামের জনৈক সোহেল রানা তার ভাগিনা গামেন্টস ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান রবিনকে (২৮) পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ এনে সদর থানায় এই মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলায় শফিকুল ইসলাম শিমুলকে প্রধান আসামী , জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম,সাধারন সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম রমজান এবং নাটোর পৌরসভার সাবেক মেয়র উমা চৌধুরী জলিসহ ১৩৭ জনের নাম উল্লেখ করে এজাহার দায়ের করা হয়েছে। অপরদিকে বিএনপি নেতাকে হত্যার অভিযোগে শিমুল সহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে সিংড়া থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। এর আগে গত ১৭ আগষ্ট নাটোর সদর থানায় এক স্কুল ছাত্রকে পুড়িয়ে হত্যা এবং বিএনপি নেতাকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগে সদর থানায় দুটি মামলা হয়েছে শিমুল সহ তার ৬২ সমর্থকের বিরুদ্ধে।
সোমবার নাটোর সদর থানায় দায়েরকৃত মামলার এজাহারে সোহেল রানা উল্লেখ করেছেন,আসামীরা সকলেই আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মী। তারা সকলেই দুর্দান্ত প্রকৃতির। তারা সন্ত্রাসী,চাঁদাবাজ ও খুনি প্রকৃতির লোক। তারা প্রতিপক্ষ বিরোধী দলকে কখনই মিছিল মিটিং করতে দেয়না। ১ নং আসামীর নির্দেশে তারা সকলেই বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীর ওপর হামলা ও বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে মারপিট করে। মানুষকে অপহরন করে আটকে রাখে। কোটা বিরোধী আন্দোলনের সময় তার ভাগিনা মেহেদী হাসান রবিন আন্দোলনে অংশগ্রহন সহ বিভিন্নভাবে কোটা বিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের সহযোগীতা করে। গত ৫ আগষ্ট বেলা ১২ টার দিকে ১নং আসামাীর নির্দেশে তার কর্মীরা শহরের উত্তর বড়গাছা বড়মোড় এলাকা থেকে ভাগিনা মেহেদী হাসান রবিনকে বাইকে করে উঠিয়ে শহরের কান্দিভিটা এলাকায় ১নং আসামী শিমুলের বাড়ি জান্নাতি প্যালেসে নিয়ে দোতালার একটি ঘরে আটকে রাখে। পরে তারা বাড়িতে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে তার ভাগিনার শরীর পুড়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে সে ৭ আগষ্ট মারা যায়। পুলিশের কর্মবিরতি সহ দেশের সার্বিক অবস্থার কারনে মামলা করতে বিলম্ব হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে সাবেক এমপি শফিকুল ইসলাম শিমুলসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে গত শনিবার সিংড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহত বিএনপি নেতা আব্দুল বারি নান্নুর স্ত্রী আসমা বেগম। আব্দুল বারী নান্নু ছিলেন সদর উপজেলার দিঘাপতিয়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে ২০১৮ সালে সিংড়ার হাতিয়নদহ বাজারে তার স্বামীকে মারপিট করার পর মোটর সাইকেলে করে নাটোরের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে একটি মামলায় আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে বিচারক তাকে জামিন দেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর নিরাপত্তার কারনে বাড়িতে চলে আসেন তিনি। কিন্তু বাড়িতে থাকা অবস্থায় বিনা চিকিৎসায় এক পর্যায়ে তিনি মারা যান।
কুষ্টিয়া অফিস: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। বুধবার ২৬ মে দুপুরে নিজের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রি ...
স্টাফ রিপোর্টার: সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারে ‘কিচেন কেবিনেট’ ছিল বলে জানিয়েছেন ওই সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। তবে তিনি নিজে সেই ‘কিচেন কেবিনেটের’ সদস্য ছিলেন না বলে ...
স্টাফ রিপোর্টার: পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে গুম, খুন ও আন্দোলনে শহীদ হওয়া বিএনপি নেতাকর্মীদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক ও যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। মঙ্গ ...
ডেস্ক রিপোর্ট: আগামী জাতীয় নির্বাচনেই আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন। একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ...
সব মন্তব্য
No Comments