ডেস্ক রিপোর্ট: ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোতে হাইব্রিড নেতাদের পদ পাওয়া নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা চলছে। দলের কেন্দ্রীয় নেতারাও বিষয়টি নিয়ে হরহামেশা কথা বলেন। কোনো কোনো এলাকায় স্বাধীনতাবিরোধী এবং তাদের উত্তরসূরিরা বিভিন্ন কমিটিতে স্থান পেয়েছেন।
কিন্তু বর্তমান জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের এক জন সংসদ সদস্য রয়েছেন, যিনি নিষিদ্ধ ফ্রিডম পার্টিকে নিয়মিত চাঁদা দিতেন। নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য মোরশেদ আলম ১৯৯২ সালের বিভিন্ন সময়ে ফ্রিডম পার্টিকে নিয়মিত চাঁদা দিয়েছেন। দলটির নোয়াখালী জেলা ইউনিটকে তিনি মাসে সাড়ে ৩ হাজার টাকা করে চাঁদা দিয়েছেন। দৈনিক ইত্তেফাকের হাতে সে সময় চাঁদা দেওয়ার রসিদগুলোর কপিও এসেছে। এসব চাঁদার রসিদে মোরশেদ আলমকে বেঙ্গল প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজের স্বত্বাধিকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
নোয়াখালী-২ আসনটি সেনবাগ উপজেলা ও সোনাইমুড়ির একাংশ নিয়ে গঠিত। ২০০৮ সালের নির্বাচনে এ আসন থেকে বিএনপির জয়নাল আবেদিন ফারুক নির্বাচিত হন। এ সময় আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন ড. জামাল উদ্দিন আহমেদ। ২০১৪ সালে আসনটিতে মনোনয়ন পান মোরশেদ আলম। এ সময় তিনি বিজয়ী হন। ২০১৮ সালে তিনি পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তবে ১৯৯৬ সালে তিনি একই আসন থেকে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে হেরে যান। ২০১৪ সালের আগে মোরশেদ আলম আওয়ামী লীগের কোনো কমিটিতে ছিলেন না। বর্তমানে তিনি আওয়ামী লীগ নোয়াখালী জেলা কমিটির সদস্য।
ফ্রিডম পার্টিকে চাঁদা দেওয়ার বিষয়ে মোরশেদ আলমকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টি আস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘আমি কোনো দিন ফ্রিডম পার্টির নামও শুনি নাই। উপরন্তু তিনি স্বাধীনতাযুদ্ধের আগে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন গণ-আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে দাবি করেন। মোরশেদ আলম বলেন, ‘আমি মুক্তিযোদ্ধা ছিলাম। একটি বিশেষ মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে আমার নামে কুৎসা ছড়াচ্ছে।’ ফ্রিডম পার্টিকে চাঁদা দেওয়ার রসিদ ইত্তেফাকের হাতে রয়েছে জানালে তিনি বলেন, ‘রাখেন আপনার রসিদ। কে কী দিল, সেটা নিয়ে নিউজ হবে কেন?’
ইত্তেফাকের হাতে থাকা দুটি চাঁদার রসিদে দেখা যায়, ১৯৯২ সালের ১৬ মার্চ মোরশেদ আলম ফ্রিডম পার্টির নোয়াখালী জেলা ইউনিটকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা চাঁদা দিয়েছেন। ঐ বছরের ১৭ মে একই ইউনিটকে তিনি সমপরিমাণ চাঁদা দেন। দুটি রসিদেই ঠিকানার জায়গায় স্বত্বাধিকারী বেঙ্গল প্লাস্টিকের নাম ব্যবহার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, বেঙ্গল প্লাস্টিক মোরশেদ আলমের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান।
এদিকে মোরশেদ আলমের নির্বাচনি এলাকা সেনবাগের বিভিন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা কোণঠাসা হয়ে থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ঐ উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে সাতটিতে নির্বাচন হয়েছে। এর মধ্যে একটি ইউপিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। বাকি পাঁচটিতে নৌকার প্রার্থীকে পরাজিত করে বিদ্রোহী প্রার্থীরা জয়ী হন। সেনবাগ পৌরসভার নির্বাচনেও একই অবস্থা। এখানেও নৌকার প্রার্থীকে পরাজিত করে বিদ্রোহী প্রার্থী জয়ী হন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এসব বিদ্রোহী প্রার্থী সবাই মোরশেদ আলমের অনুসারী।-ইত্তেফাক
স্টাফ রিপোর্টার: দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস বিদেশে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদের অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা, ঢাকা-৮ আসনের ...
স্টাফ রিপোর্টার: দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) বিরোধী দল দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা ...
স্টাফ রিপোর্টার: সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস চিকিৎসা ও পুনর্বাসন শেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আ ...
স্টাফ রিপোর্টার: ইলেকট্রনিক মিডিয়ার শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি।আজ বুধবার ২ সেপ্টেম্বর দুপুরে রাজধানীর ২৯ মিন্টো ...
সব মন্তব্য
No Comments