আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের আগে নিরাপত্তা চুক্তি ও ইসরাইলি হামলা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় এ বৈঠক আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
আউনের কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই মুহূর্তে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের উপযুক্ত সময় হয়নি বলে প্রেসিডেন্ট তার অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। বিবৃতিতে আউন বলেন, প্রথমে আমাদের একটি নিরাপত্তা চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে এবং আমাদের ওপর ইসরাইলি হামলা বন্ধ করতে হবে। এরপরই বৈঠকের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, গত মাসে ওয়াশিংটনে ইসরাইল ও লেবাননের প্রতিনিধিরা দুই দফা বৈঠক করেন। কয়েক দশকের মধ্যে এটিই ছিল দুই দেশের প্রথম এমন আলোচনা। ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ ২ মার্চ লেবাননকে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে জড়িয়ে ফেলার পর এই উদ্যোগ শুরু হয়। এরপর ইসরাইল লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা ও স্থল অভিযান চালায়।
প্রথম দফা বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৭ এপ্রিল থেকে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন। দ্বিতীয় দফা বৈঠকের পর তা আরও তিন সপ্তাহ বাড়ানো হয়। আউনের কার্যালয় জানিয়েছে, প্রস্তুতিমূলক আলোচনার তৃতীয় দফা আগামী কয়েক দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এপ্রিলের শেষ দিকে দ্বিতীয় বৈঠকের পর ট্রাম্প আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আউন ও নেতানিয়াহুকে নিয়ে হোয়াইট হাউসে যৌথ বৈঠকের আশা করছেন। গত সপ্তাহে বৈরুতে মার্কিন দূতাবাসও এমন বৈঠকের আহ্বান জানায়। তারা বলে, লেবানন একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে রয়েছে। দেশের জনগণের সামনে নিজেদের দেশ পুনর্গঠন ও ভবিষ্যৎ নির্ধারণের ঐতিহাসিক সুযোগ রয়েছে। দ্বিধার সময় শেষ হয়েছে।
পরিকল্পিত আলোচনাকে কেন্দ্র করে লেবাননে মতভেদ তৈরি হয়েছে। হিজবুল্লাহ সরাসরি আলোচনার বিরোধিতা করেছে। তাদের নিরস্ত্রীকরণের আগের প্রতিশ্রুতিও বৈরুত প্রত্যাখ্যান করেছে। হিজবুল্লাহ প্রধান নাইম কাসেম সোমবার সরাসরি আলোচনার সমালোচনা করে বলেন, এতে লেবানন ‘অভিভাবকত্বের অধীনে’ চলে যাবে। তিনি যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানান এবং বলেন, সরাসরি আলোচনা অযৌক্তিক ছাড়, যার কোনো ফল নেই।
এ বিষয়ে আউন বলেন, আলোচনার পথ থেকে ফেরার সুযোগ নেই, কারণ আমাদের আর কোনো বিকল্প নেই। তিনি আরও জানান, এই প্রক্রিয়ার লক্ষ্য লেবানন থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার নিশ্চিত করা।
সোমবার লেবাননে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মিশেল ইসা সাংবাদিকদের বলেন, আমার মতে, প্রেসিডেন্ট আউন যদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, তাতে কোনো ক্ষতি নেই। তিনি বলেন, আউন ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর কাছে নিজের সিদ্ধান্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে পারেন। দেশে ফিরে এসে এরপর আলোচনা শুরু করা যাবে। ইসা আরও বলেন, আউন লেবাননের সব দাবি তুলে ধরবেন। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো দেশের ভৌগোলিক সার্বভৌমত্ব। এটি হিজবুল্লাহর অন্যতম প্রধান দাবি।
ইসরাইলি হামলায় এখন পর্যন্ত লেবাননে অন্তত ২ হাজার ৭০০ জন নিহত হয়েছে। যুদ্ধবিরতির পরও বেশ কয়েকজন প্রাণ হারিয়েছেন।
স্টাফ রিপোর্টার: পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের হেক্সা মিশন থেমে গেল শেষ ষোলোতেই। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আর্লিং হল্যান্ডের জোড়া গোলে ২-১ ব্যবধানে হেরে বিদায় নিয়েছে সেলেসাওরা। আর এই জয়ে ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রসিকতার ছলে আক্ষেপ করে বলেছেন, তিনি অন্তত আটটি যুদ্ধ মিটমাট করলেও নোবেল শান্তি পুরস্কার পাননি। শুক্র ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রথম জানাজা রোববার (৫ জুলাই) তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে রেকর্ডসংখ্যক মানুষের সমাগম হয়। ইরানের রা ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও শোকযাত্রা শুরু হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় নিহত ৮৬ বছর বয়সী এই শিয়া ন ...
সব মন্তব্য
No Comments