ডেস্ক রিপোর্ট : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলক বলেছেন, শুধু ডিজিটাল বাংলাদেশ নয়, ডিজিটাল বিশ্বের নেতৃত্ব দেবে আমাদের মেধাবী তরুণরা। তাদের সুযোগ্য করে গড়ে তুলতে চাইলে এবং আমরা তাদেরকে ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং ডিজিটাল বিশ্বের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই; তাহলে ঠিক আবশ্যিক ভাবেই তাদের কম্পিউটারের ভাষা প্রোগ্রামিং শেখাতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী আজ জুম প্লাটফর্মে যুক্ত হয়ে ‘ন্যাশনাল হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা (এনএইচএসপিসি)২০২১’ এর জাতীয় পর্বের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
‘জানুক সবাই দেখাও তুমি’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রোগ্রামিং করার লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে অনলাইনে আয়োজিত হয় এ বছরের আয়োজন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের তরুণ প্রজন্ম মেধাবী । তাদের মেধাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলেই বাংলাদেশের মাটিতেই স্যাটেলাইট তৈরি ও উৎক্ষেপণ করার সক্ষমতা অর্জন সম্ভব হবে। এছাড়া তাদের মেধা-যোগ্যতা ও পরিশ্রম দিয়ে নিজেদের স্বপ্নগুলো পূরণ করবে। আমরা যদি তাদের প্রোগ্রামিং শেখাতে না পরি, তাহলে তাদের বড় স্বপ্ন পূরণের সুযোগটা করে দিতে পারবো না।
প্রতিমন্ত্রী তরুণদের স্বপ্ন পূরণে সরকারের নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে বলেন, ভবিষ্যৎ দক্ষতানির্ভর প্রযুক্তির ভাষা প্রোগ্রামিং জানা থাকলে পৃথিবীর সব ভাষাতেই যোগাযোগ করা যাবে। এছাড়া কিছুদিন পর যখন ড্রাইভারলেস গাড়িগুলো চলবে তখন এগুলো চালানোর জন্য প্রোগ্রামিং জানতে হবে। তিনি আরো বলেন, বুয়েটের সহযোগিতায় ৯ ধরণের ভাষা শেখার জন্য আমরা ‘ভাষাগুরু’ নামে একটি সফটওয়্যার তৈরি করেছি। এখন ভাষা না শিখেও কেউ যদি সফটওয়্যার তৈরি করতে পারেন, আপনার কছে যদি সেই অ্যাপ্লিকেশন থাকে তাহলে স্প্যানিশ বা আরবি না শিখেও যদি প্রযুক্তি ভাষা শেখা যায়, তাহলে পৃথিবীর সব ভাষাতেই যোগাযোগ করা যাবে। আর এই লক্ষ্য বাস্তবায়নেই আগামী বছরেই প্রাথমিকে প্রোগ্রামিং শিক্ষার পাঠ্যবই যুক্ত করা হচ্ছে বলেও জানান আইসিটি প্রতিমন্ত্রী।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪১ সালের রূপকল্প শুধু শ্রমনির্ভর অর্থনীতি দিয়ে বাস্তবায়ন করা যাবে না। শ্রমনির্ভর অর্থনীতির পাশাপাশি মেধাকে সঠিকভাবে বেশি করে কাজে লাগাতে হবে, তাহলেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করা যাবে।
বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল এবং শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ ।
দেশের সকল জেলা এবং ৪৪৪ উপজেলা থেকে ১১ হাজার ৬৯৩ জন শিক্ষার্থী চার ঘণ্টাব্যাপী এ প্রোগ্রামিং এবং কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। যাদের মধ্যে ৩ হাজার ৯৫ জন শিক্ষার্থীই ছিল মেয়ে।
পরে প্রতিমন্ত্রী প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন।
স্টাফ রিপোর্টার: দেশের দ্রুতগতির ডিজিটাল অগ্রযাত্রাকে টেকসই ও নিরাপদ করতে সাইবার নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল ট্রাস্ট নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্ ...
ডেস্ক রিপোর্ট: বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য ‘অপো ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রাম’ চালু করেছে। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সৃজনশীল ...
স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তা ইকোসিস্টেম জোরদার করতে ইন্টেনসিভ ওয়ার্কশপের মাধ্যমে আজ মঙ্গলবার ২৩ জুন শুরু হচ্ছে ‘ফিনিক্স সামিট ২০২৬’। দেশের অন্যতম শীর্ষ সাইবার সিকিউরিটি প্ল্যাটফর্ম দ্ ...
স্টাফ রিপোর্টার: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকতে এবং ব্যবহারকারীদের সম্পৃক্ততা আরও বাড়াতে ফেসবুকে (Facebook) আমূল পরিবর্তন আনছে মেটা (Meta)। সোমবার, ১৬ জুন ২০২৬ এক ব্লগ পোস্টে ...
সব মন্তব্য
No Comments