স্টাফ রিপোর্টার: নির্যাতন প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার উন্নয়ন কেন্দ্রের (এইচআরডিসি)। আজ বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ ঘোষিত ‘নির্যাতনের শিকারদের প্রতি সংহতির আন্তর্জাতিক দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচি থেকে এই আহ্বান জানানো হয়।
সারাদেশে নির্যাতিতদের সমর্থনে রাজধানীর রায়ের বাজার বধ্যভূমি, খুলনার চুকনগর বধ্যভূমি, রাজশাহী ও মেহেরপুরে এইচআরডিসি’র উদ্যোগে ‘পুনর্বাসন, বিচার ও ক্ষতিপুরণ’ শীর্ষক মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে মানবাধিকারকর্মী, সমাজকর্মী, আইনজীবী, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, গবেষক, তরুণ সমাজ, নাগরিক সংগঠন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিরা অংশ নেন। এছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও আইন উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
স্মারলিপিতে এইচআরডিসি’র সেক্রেটারি জেনারেল মাহবুল হক বলেন, নির্যাতনের শিকারদের জন্য প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস-এর বার্তা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। এই উপলক্ষে স্মারকলিপিতে আমরা তিনটি প্রধান দাবি জানিয়েছি। আমরা বলেছি, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের অধীনে নির্যাতিনের শিকারদের জন্য তদন্ত মিশন গঠন করতে হবে। জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী সনদের অনুচ্ছেদ ১৪ থেকে বাংলাদেশের সংরক্ষণ প্রত্যাহার, ঐচ্ছিক প্রোটোকল দ্রুত অনুসমর্থন এবং জাতীয় প্রতিরোধ কাঠামো গঠন করতে হবে। তিনি আরো উল্লেখ করেন, এই কর্মসূচি শুধুমাত্র একটি প্রতিবাদ নয়, এটি আমাদের পক্ষ থেকে প্রতিটি নির্যাতনের শিকার ব্যক্তির প্রতি সুবিচার না হওয়া পর্যন্ত লড়াই অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি।
এদিকে মানবন্ধন-সমাবেশে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ মো. জিয়ানুর কবির বলেন, নতুন বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত অসংখ্য মানুষ শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, মানসিক নির্যাতনকে কেউ গুরুত্ব দেয় না। দেশে নির্যাতনের শিকারদের জন্য পুনর্বাসনের কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেই। তিনি বলেন, জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী সনদের ১৪ অনুচ্ছেদের ওপর বাংলাদেশের সংরক্ষণ প্রত্যাহার করতে হবে। এতে নির্যাতনের শিকারদের পুনর্বাসন নিশ্চিত এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারকে পর্যাপ্ত পরিমান ক্ষতিপুরণ দেওয়া সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, ১৯৮৭ সালের ২৬ জুন জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী কনভেনশন আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়। এই দিনটির তাৎপর্যকে স্মরণ করে জাতিসংঘ ১৯৯৭ সালে এক সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্তে ২৬ জুনকে আন্তর্জাতিক নির্যাতন বিরোধী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। দিবসটি পালনের উদ্দেশ্য হলো-নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের সম্মান ও সহানুভূতি জানানো, নির্যাতন প্রতিরোধে বৈশ্বিক সচেতনতা তৈরি করা। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন অনুযায়ী নির্যাতনকে একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে তুলে ধরা এবং বিশ্বজুড়ে নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং রাষ্ট্রগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনা।
উজিরপুর প্রতিনিধিঃ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে উজিরপুর পৌর বিএনপির নেতাকর্মীরা আনন্দ মিছিল করেছে।১৩ জুলাই সোমবার জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র চেয়ারপার্সন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় ...
অনিক রায়, ফরিদপুর অফিস: ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচজনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে তাদের পরিচয় নিশ্ ...
রাহাদ সুমন,বরিশাল ব্যুরো:: বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে শাকিল পন্ডিত (২৪) নামের এক যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ঘাতক সাইদুল মাতাব্বরকে আটক ...
রাহাদ সুমন, বরিশাল ব্যুরো: ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫ বছর বয়সী মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনায় মা লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে নলছিটি থানায় তার বিরুদ্ধে সন্তানকে হত্য ...
সব মন্তব্য
No Comments