জাবি প্রতিনিধি : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) যত্রতত্র গাছ কেটে পরিবেশ ধ্বংস করে ভবন নির্মাণ বন্ধ এবং দ্রুত মাস্টারপ্লান (মহাপরিকল্পনা) প্রণয়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন প্রগতিশীল শিক্ষার্থীরা। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর দেড়টায় এই বিক্ষোভ মিছিল করেন তাঁরা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ভবনের সামনে বের হয়ে সমাজবিজ্ঞান অনুষদ ঘুরে গণিত ও পরিসংখ্যান ভবনের পিছনে আইআইটি'র নির্মাণাধীন ভবনের স্থানে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিলে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট জাবি শাখা, ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। এতে সংহতি জানিয়ে সাংস্কৃতিক সংগঠন জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটার ও জলসিঁড়ির সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংকৃষিপ্ত সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। সমাবেশে জাবি শাখা ছাত্রফ্রন্টের কর্মী মোস্তাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের আহ্বায়ক আলিফ মাহমুদ বলেন, 'ক্লাস-পরীক্ষা বাদ দিয়ে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের গাছ কাটার, অপরিকল্পিত উন্নয়নের প্রতিবাদের জন্য দাঁড়াতে হয়। আমরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি মাস্টারপ্ল্যান করা হোক। যার অধীনে ভবন নির্মাণসহ সব ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ করা হবে। কিন্তু প্রশাসন শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা- লেকগুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে। অতিথি পাখি আসা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু কোন উদ্দ্যেগ
কর্মচারীদের সাথে আলোচনা করতে ভয় পায়। এজন্য তারা অংশীজনদের নিয়ে আলোচনা করে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করতে চায় না। সুষ্ঠু পরিকল্পনার অভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের
নেওয়া হয় না। প্রশাসন শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে না পারলেও তাদের সঙ্গে প্রতারণা করতে পেরেছে। কিছুদিন আগে গাছ কাটার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করলে প্রশাসন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ভদন্ত কমিঠি গঠন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। কিন্তু আইআইটি ভবনের কাজ এখনো চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আমরা বলতে চাই
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস করে কোন অবকাঠামোগত উন্নয়ন আমরা চাই না। কংক্রিটের বিশ্ববিদ্যালয় চাই না। সবুজ প্রকৃতির বিশ্ববিদ্যালয় চাই।' অস্থিমজ্জায় কাপুরুষতা লেগে আছে। প্রশাসনিক পিশাচরা ক্যম্পাসের প্রকৃতি, আকাডেমিক পরিবেশ, সাংস্কৃতিক পরিবেশ ধ্বংস করে যেভাবে তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থ
জাবি শাখা ছাত্রফ্রন্টের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কনোজ কান্তি রায় বলেন, 'আমরা ২০১৯ সাল থেকে দেখে আসছি প্রশাসন চৌর্যবৃত্তিমূলক আচরণ করে আসছে। কিছুদিন আগে ইন্সটিটিউট অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ-জেইউ) এর ভবন নির্মাণের জন্য কাপুরুষের মতো রাতের আঁধারে গাছ কেটে প্রশাসন প্রমাণ করেছে তাদের
মেটাচ্ছে সেই জায়গা থেকে আমরা আতঙ্কগ্রস্থ হই। আমরা মনে করি প্রশাসন মাথায় যে গাছ কাটার ধারাবাহিকতার ভুত চড়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে আগামীতেও তারা এই অপচেষ্টা তারা চালাবে। আমরা প্রশাসনকে বলতে চাই তারা গাছ কেটে যে স্বেচ্ছাচারিতা চালাচ্ছে আজ হোক বা কাল হোক এর পতন হবেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের শেষ অধ্যায় রচনা করবে।'
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক চেয়ারম্যান ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুনকে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)-এর পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে নিয়োগ ...
ডেস্ক রিপোর্ট: নতুন স্কুলব্যাগ আর শিক্ষা উপকরণ হাতে পেয়ে আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে চট্টগ্রামের লালখান বাজারের রেলওয়ে এমপ্লয়িজ গার্লস’ হাই স্কুলের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা নতুন স্কুল ব্যাগ ও শিক্ষা উ ...
ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশের টেকসই স্থাপত্য নিয়ে ‘সাসটেইনেবল আর্কিটেকচার প্র্যাকটিস’ শীর্ষক গবেষণাধর্মী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ কাউন্সিল ও বেঙ্গল ইনস্টিটিউট ফর আর্কিটেকচার, ল্যান্ডস্কেপস অ্যান্ড স ...
স্টাফ রিপোর্টার: ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশের লম্বা ছুটি শুরুর আগের দিন আগামীকাল শনিবার দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এক অফিস আদেশে এই সি ...
সব মন্তব্য
No Comments