স্টাফ রিপোর্টার: সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচেও জয়ের দেখা পেল না বাংলাদেশ। হারারেতে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ২৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে জিম্বাবুয়ের বোলিংয়ের সামনে শেষ পর্যন্ত দাঁড়াতে পারেনি টাইগাররা। ফলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খুইয়েছে সফরকারীরা।
২৪৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা সতর্ক ছিল বাংলাদেশের। প্রথম তিন ওভার শেষে বিনা উইকেটে স্কোরবোর্ডে ওঠে ১৩ রান। তবে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি সৌম্য সরকার। ব্লেসিং মুজারাবানির অতিরিক্ত বাউন্স পাওয়া বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ১৩ রানেই প্রথম ধাক্কা খায় বাংলাদেশ।
সৌম্যর বিদায়ের পর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে ইনিংস গড়ার চেষ্টা করেন তানজিদ হাসান। তবে সেই জুটিও বড় হয়নি। নিজের প্রথম ওভারেই বল হাতে সাফল্য পান ক্রেইগ আরভিন। ১৬ বলে ৯ রান করে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শান্ত। ৯ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩৮ রানে ২ উইকেট।
এরপর তাওহিদ হৃদয়কে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন তানজিদ। ধীরে ধীরে চাপে থাকা দলকে ম্যাচে ফেরান এই দুই ব্যাটার। তানজিদ ফিফটি পূর্ণ করেন, হৃদয়ও খেলছিলেন আত্মবিশ্বাসী ইনিংস। দুজন মিলে ১০৭ বলে ৮৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে জয়ের আশা জাগান।
তবে ম্যাচের মোড় ঘোরান ব্রায়ান বেনেট। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে মাত্র তৃতীয়বার বল করতে এসে প্রথম উইকেটের স্বাদ পান তিনি। তার বলেই বোল্ড হন সেট ব্যাটার তানজিদ। ২৭ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ১২৩ রানে ৩ উইকেট, জয়ের জন্য তখনও প্রয়োজন ১২৫ রান।
তানজিদের বিদায়ের পরও আশা জিইয়ে রেখেছিলেন তাওহিদ হৃদয়। দারুণ এক ফিফটি তুলে দলকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি। ফিফটির পর ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই ডানহাতি। তখন বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৮০ বলে ৭৭ রান, হাতে ৬ উইকেট।
এরপর দ্রুত চাপে পড়ে যায় সফরকারীরা। মোসাদ্দেক হোসেন ৯ বলে ৭ রান করে মুজারাবানির শিকার হলে পঞ্চম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তখন ৭৪ বলে জয়ের জন্য দরকার ৭২ রান। শেষ ভরসা ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও নুরুল হাসান।
কিন্তু শেষদিকে চাপ বাড়তে থাকলে একে একে উইকেট হারিয়ে পথ হারায় বাংলাদেশ। রিশাদ হোসেনও আউট হয়ে গেলে জয়ের সমীকরণ কঠিন হয়ে পড়ে। ২৭ বলে ২৯ রান দরকার থাকলেও হাতে ছিল মাত্র তিন উইকেট। শেষ পর্যন্ত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি টাইগাররা।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৪৭ রান তোলে জিম্বাবুয়ে। দলের হয়ে ১৩৫ বলে অপরাজিত ১১১ রানের ইনিংস খেলে স্বাগতিকদের বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন বেন কারান। শেষদিকে ব্র্যাড ইভান্স ৩৮ বলে ৫৮ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। বিশেষ করে তাসকিন আহমেদের শেষ ওভারে ২২ রান তুলে জিম্বাবুয়ের স্কোর ২৪৭-এ নিয়ে যান তিনি।
প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতায় হারের পর দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও জয় তুলে নিতে ব্যর্থ হলো বাংলাদেশ। ফলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ওয়ানডে সিরিজ নিজেদের করে নিল জিম্বাবুয়ে।
স্টাফ রিপোর্টার: আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। সোমবার (৩১ আগস্ট ২০২৬) নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম পেজে এক আবেগঘন বার্তায় তিনি এই সিদ্ধান্ত জ ...
স্টাফ রিপোর্টার: জাপানের আইচি-নাগোয়ায় অনুষ্ঠিতব্য ২০তম এশিয়ান গেমসকে সামনে রেখে নারী ফুটবলের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত বস ...
লুতুব আলি, কলকাতা: হকি জাদুকর মেজর ধ্যানচাঁদের জন্মদিনকে স্মরণ করে প্রতি বছর ২৯ আগস্ট দেশজুড়ে পালিত হয় ন্যাশনাল স্পোর্টস ডে। সেই উপলক্ষে এবার কলকাতায় এক অভিনব উদ্যোগ নিল জেনিথ উইমেন্স ইয়োগা এমপাওয ...
ডেস্ক রিপোর্ট: অক্টোবরের ফিফা উইন্ডোতে বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলার আলোচনা করেছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। তবে শেষ পর্যন্ত ভারতকে বেছে নেওয়ার পথেই এগোচ্ছে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশ ...
সব মন্তব্য
No Comments