প্রশাসক আলমগীর

পিরোজপুরে অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘোষণায় প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা

প্রকাশ : 24 Jun 2026
পিরোজপুরে অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘোষণায় প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা

পিরোজপুর অফিস: পিরোজপুরকে অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন। বুধবার দুপুরে জেলা পরিষদ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কৃতজ্ঞতা জানান।


আলমগীর হোসেন বলেন, নির্বাচনের আগে পিরোজপুর-১, ২ ও ৩ আসনের জনগণের কাছে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করা হয়েছিল। সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ক্রমে সেগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি জানান, বলেশ্বর মোহনা ও আশপাশের এলাকায় অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে উঠলে শিল্প-কারখানা, পাটকল ও গার্মেন্টস স্থাপিত হবে। এতে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্য দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করা সম্ভব হবে।


তিনি আরও বলেন, পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, পিরোজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমিন দুলাল এবং তিনি নিজে পৃথকভাবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার দাবির প্রতি ইতিবাচক সাড়া দেন।


নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ টেনে আলমগীর হোসেন বলেন, গোপালগঞ্জ থেকে পাথরঘাটা পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছিল। পাথরঘাটায় আন্তর্জাতিক মানের মৎস্য বন্দর থাকায় রেল সংযোগ স্থাপিত হলে মৎস্যসম্পদ আহরণ, সংরক্ষণ ও বিপণনে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। সম্প্রতি প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদন পেয়েছে বলেও তিনি জানান।


জনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নেছারাবাদের সন্ধ্যা নদীর ওপর সেতু, আমড়াজুড়ি সেতু এবং চরখালী সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার গঠনের পর বিষয়গুলো প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়। তাঁর নির্দেশনার পর আমড়াজুড়ি এলাকায় সেতু নির্মাণের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ সরেজমিন পরিদর্শন করেছে। অন্য দুটি সেতুর কাজও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


আলমগীর হোসেন বলেন, বিএনপি জনগণকে ধোঁকা দেওয়ার রাজনীতি করে না। যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, তা বাস্তবায়নের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়। সরকার গঠনের পর নির্বাচনী অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে।


মতবিনিময় সভায় তিনি আরও জানান, জেলা পরিষদের মাধ্যমে বিভিন্ন সড়ক, কালভার্ট, ক্ষুদ্র অবকাঠামো এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অর্থনৈতিক অঞ্চল, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রেললাইন প্রকল্পের অগ্রগতি খুব শিগগিরই দৃশ্যমান হবে।


সম্পর্কিত খবর

;