সুমন আদিত্য,জামালপুর প্রতিনিধিঃ জামালপুরে পানি সরবরাহে আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্প বিষয়ে জেলা পর্যায়ের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এবং জামালপুরের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা উন্নয়ন সংঘ এ সভার আয়োজন করে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ মোকলেছুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামালপুর সদর আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মো. মোজাফফর হোসেন। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর জামালপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ। এতে প্রকল্পটির ধারণাপত্র উপস্থাপনা করেন উন্নয়ন সংঘের জেলা ব্যবস্থাপক লিটন চন্দ্র সরকার।
উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিমের সঞ্চালনায় মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ আতিকুর রহমান ছানা, জামালপুর সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. দেলোয়ার হোসেন, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. তাসমিন রুহী মিম, জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মেডিক্যাল অফিসার ডা. উম্মে হাবিবা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা জাকিয়া সুলতানা, সনাক সদস্য এ কে এম আশরাফুল ইসলাম স্বাধীন, কালের কণ্ঠের সাংবাদিক মোস্তফা মনজু প্রমুখ। পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ, স্বাস্থ্য বিভাগ, কৃষি বিভাগ, সাংবাদিক, পরিবার পরিকল্পানা বিভাগ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ ৩২ জন প্রতিনিধি এ অবহিতকরণ সভায় অংশ নেন।
প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মো. মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আর্সেনিক নিয়ে কাজ না থাকায় আমরা অতিমাত্রায় আর্সেনিকের ভয়াবহতার কথা ভুলে গিয়েছিলাম। জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ এবং উন্নয়ন সংঘ নতুন করে কার্যক্রম শুরু করায় তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি এ কাজ করতে গিয়ে মাঠপর্যায়ে যাতে কোন গাফেলতি না করা হয় এ ব্যপারে তিনি আয়োজকদের সতর্ক করেন।
সভায় জানানো হয়, সরকার সবার জন্য নিরাপদ ও সুপেয় পানি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশের ৫৪টি জেলায় ৩৩৫টি উপজেলায় আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসনে সরকারি, বেসরকারি এবং পরিবার পর্যায়ে স্থাপিত নলকূপ পরীক্ষা করে আর্সেনিকযুক্ত নলকূপ চিহ্নিত করার কাজ শুরু করেছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে আর্সেনিকযুক্ত নলকূপগুলো চিহ্নিত করে পরবর্তী সরকারিভাবে আর্সেনিকমুক্ত সুপেয় পানি সরবরাহের লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।
প্রকল্পের মূল বাস্তবায়নকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাথে অংশিদারিত্বের ভিত্তিতে উন্নয়ন সংঘ প্রকল্প বাস্তবায়ন সহযোগী হিসেবে জামালপুর ও শেরপুর জেলার ১২টি উপজেলার ১২০টি ইউনিয়নে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রকল্প এলাকার প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে ইউপি প্রতিনিধি, একজন করে মেকানিক এবং ছয়জন করে পুরুষ-মহিলা কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। থাকছে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও। ২০২৩ সালের জুন মাসের মধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার: আজ ১ আগস্ট থেকে দেশের সব ধরনের গণপরিবহনে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) ডিভাইস সংযোজন ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। জিপিএস সংযুক্ত ও সচল না থাকলে কোনো গণপরিবহনের নতুন নিবন্ধন ...
স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গোর এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ ...
স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশে তার প্রথম সরকারি সফর শেষে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর।সফরকা ...
স্টাফ রিপোর্টার: ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করেছে সরকার। আগস্ট মাসের জন্য প্রতি লিটার ডিজেল ১১৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা ও কেরোসিন ১৩৫ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।ব ...
সব মন্তব্য
No Comments