সামসুল আলম সজ্জন: একদিকে জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের আলাপ আর অন্যদিকে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে চলমান মতবিরোধ-এরকম উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আজ রোববার বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে বৈঠক করতে যাচ্ছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
শুক্রবার ও শনিবার জাতীয় পার্টি ও গণ অধিকার পরিষদের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষকে ঘিরে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। বিশেষ করে শুক্রবার রাতে সংঘর্ষের সময় লাঠিপেটার শিকার হয়ে গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর মারাত্মকভাবে আহত হন। তার অবস্থা সংকটজনক। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রতিক্রিয়ার গতকাল শনিবার, নুরুল হকের দল গণ অধিকার পরিষদ বিক্ষোভ সমাবেশ করে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আজ বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা বৈঠক ডেকেছেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানা গেছে, বিএনপির সঙ্গে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায়, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বিকেল সাড়ে চারটায় ও এনসিপির সঙ্গে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় বৈঠকের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হবে। দল তিনটির সঙ্গে বৈঠক হবে আলাদাভাবে।
বিশেষজ্ঞমহলের ধারণা যে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় জাতীয় পার্টির (জাপা) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টিও গুরুত্ব পেতে পারে।
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবি ইস্যুতে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান গতকাল ঝিনাইদহে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, জাতীয় পার্টি ১৯৮২ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত মানুষের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করেছে। তারা জুলাই বিপ্লবে আওয়ামী লীগকে সহযোগিতা করে নিজেদের পুরোনো ইতিহাস উন্মোচন করেছে। তাই দলটিকে নিষিদ্ধের যে দাবি উঠেছে, সেটির আইনগত দিক যাচাই-বাছাই করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য নুরুল হক নূরের ওপর হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে গতকাল (৩০ আগস্ট) অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ হতে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, সংকটকালীন সময়ে জুলাই অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া সব রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সংগ্রামের অর্জন রক্ষা করতে, জনবিরোধী সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে এবং গণতন্ত্রে সফল উত্তরণ নিশ্চিত করতে জাতীয় ঐক্য অপরিহার্য। অন্তর্বর্তী সরকার দৃঢ়ভাবে আশ্বস্ত করেছে যে আগামী জাতীয় নির্বাচন যথাসময়ে, অর্থাৎ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই অনুষ্ঠিত হবে। এটি জনগণের প্রতি সরকারের একনিষ্ঠ অঙ্গীকার বলেও জানানো হয়। নির্বাচন বিলম্বিত বা বানচাল করার যে কোনো ষড়যন্ত্র, বাধা বা প্রচেষ্টা সরকার ও গণতন্ত্রপ্রেমী জনগণ দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করবে। জনগণের ইচ্ছাই জয়ী হবে-কোনো অশুভ শক্তিকে গণতন্ত্রের পথে অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করতে দেওয়া হবে না।
স্টাফ রিপোর্টার: পেপারবিহীন, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সংসদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকা, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬।এ বিষয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের লাইব্রে ...
স্টাফ রিপোর্টার: অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সংস্কারের বিরোধিতা করে আন্দোলনের দায়ে দণ্ডিত ২১ কর্মকর্তার শাস্তি প্রত্যাহার করা হয়েছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) অভ্যন্তরীণ সম্প ...
স্টাফ রিপোর্টার: ২০২৬ সালের সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা উদ্বৃত্ত হয়েছে। এই টাকা সরকারি মাধ্যমে হজ পালনকারী ৪ হাজার ৩৪১ জন হাজিকে ফেরত দেওয়া হবে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ধর্ম ...
রংপুর অফিস: নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে দুই দিনের সরকারি সফরে আসছেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর জন্মভূমিতে এটি তাঁর প্রথম আগমন। এই সফরকে ঘিরে সীমা ...
সব মন্তব্য
No Comments