ঢাকা-১৯ (সাভার - আশুলিয়া)
মোঃ সাইফুল্লাহ, সাভার: গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা জেলা গনঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক এডভোকেট শেখ শওকত হোসেন বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যতই চ্যালেঞ্জিং হোক না কেন তা মোকাবেলায় আমি এবং আমার দল প্রস্তুত আছি। উল্লেখ্য, ঢাকা-১৯ (সাভার- আশুলিয়া) গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী শেখ শওকত হোসেন আরো বলেছেন,সাভার ও আশুলিয়া বাংলাদেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি জাতীয় স্থাপনা এই অঞ্চলে রয়েছে এবং দেশের সবচেয়ে বেশি ভোটার প্রায় ৮ লক্ষ ভোটার সাভার আশুলিয়া আসনে।সুতরাং নিঃসন্দেহে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। তাছাড়া এই আসনে প্রায় ৬০-৭০ লক্ষ মানুষের বসবাস।তাদের বেশিরভাগই বহিরাগত।এই অঞ্চলে যেহেতু অন্য এলাকা থেকে কাজ করতে এখানে চলে আসে, সেহেতু তারা সামান্য টাকা জমিয়ে যদি এখানে ছোট্ট একটি বাড়ি করতে চায়! তাহলেও কিন্তু তাদেরকে চাঁদাবাজরা হয়রানি করে। অর্থাৎ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় নির্দিষ্ট অঙ্কের চাঁদা দিতে হয়।তা না হলে বাড়ি করতে তাদের অসুবিধা হয়। এছাড়াও দেখা যায় এ এলাকায় কিশোর গ্যাং, মাদকসহ নানাবিধ অপকর্ম বিদ্যমান রয়েছে।যেগুলোর সাথে জড়িত রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের কোন না কোন নিকটজন। তাদেরই কোন না কোন লোক এগুলোর সাথে জড়িত।কিংবা সেল্টার দেয়। এই বিষয়গুলো বন্ধ করতে হবে।এছাড়াও সাভার আশুলিয়ার ড্রেনেজ ব্যবস্থা না করলে যত রাস্তাঘাট করুন না কেন! কোন সুফল বয়ে আনবে না।আমি মনে করি পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন কাজ করতে হবে।তা না হলে উন্নয়ন সম্ভব না এবং তারুণ্য নির্ভর সাভার আশুলিয়ায় তরুণদের মেধা উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে হবে।মাদক, কিশোর গ্যাং সহ যাবতীয় অপকর্মের মূলোৎপাদন করতে হবে।আমি নির্বাচিত হতে পারলে মাদক, কিশোর গ্যাং,চাঁদা সহ যাবতীয় অপকর্ম রোধ করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেব ইনশাল্লাহ। গনঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে এই সমস্ত অপকর্মের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নিতে পেরেছেন?এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা গনঅধিকার পরিষদ একটি তারুণ্যদীপ্ত রাজনৈতিক দল।আমরা সব সময় অপকর্মের বিরুদ্ধে অবস্থান নেই। আমরা মানুষের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিচ্ছি, আগামীর বাংলাদেশ হবে দুর্নীতিমুক্ত, তারুণ্য নির্ভর,মাদক, সন্ত্রাস, কিশোর গ্যাং মুক্ত। আমরা চাই একটি সুখী, সমৃদ্ধ, সুন্দর বাংলাদেশ।যেখানে ধনী গরিব সবাই নিরাপদে নিশ্চিন্তে বসবাস করবে।সাভার আশুলিয়া বাসীর উন্নয়ন কল্পে আপনি কি ধরনের কাজ করবেন?এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি যদি নির্বাচিত হতে পারি আমি অবশ্যই এই অঞ্চলের মানুষের কল্যাণার্থে নিজেকে উজাড় করে দিতে চেষ্টা করব।এখানে নানাবিধ সমস্যা রয়েছে।সাধারণত দেখা যায় রাজনীতিবিদদের ছেলেমেয়েরা দেশে পড়াশুনা না করে বেশিরভাগ বিদেশে পড়াশোনা করে।এজন্য ওই রাজনীতিবিদদের অথবা তাদের সন্তানদের এই দেশের প্রতি খুব একটা দায়বদ্ধতা থাকে না।সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যবস্থা ভঙ্গুর। যদিও সরকার চিকিৎসা খাতে প্রচুর অর্থ বরাদ্দ রাখে। তবু দেখা যায়,সেখানে যদি কেউ এক্সরে করতে যায় তাহলে কিন্তু বাইরে থেকে করার জন্য পরামর্শ দেয়।তাহলে এত বাজেট দিয়ে কি লাভ? এই ব্যাপারগুলো সমাধান কল্পে কাজ করতে হবে এবং সাভার আশুলিয়ার যে অবৈধ ইটের ভাটা, সীসা কারখানা সহ অসংখ্য পরিবেশন ক্ষতিকর মিল ফ্যাক্টরি রয়েছে, সেগুলো নিয়ে কারোর কোন মাথা ব্যাথা নেই।যদি নেতা কর্মীদের সন্তান এলাকায় বসবাস করত!তাহলে তারা নিশ্চয়ই এই পরিবেশ দূষণ কিংবা ক্ষতিকর বিষয়গুলোর দিকে নজর রাখতেন। সেক্ষেত্রে এলাকায় সুষ্ঠু সুন্দর পরিবেশ বিরাজ করত। বেশিরভাগ নেতাকর্মীদের মধ্যে দেশপ্রেম নাই।কারণ তারা আঙ্গুল খুলে কলা গাছ হয়েছে।কোটি কোটি টাকা ইনকাম করছে।দেশে-বিদেশে একাধিক বাড়ি রয়েছে।তারা যদি সংশোধন না হয় তাহলে কিভাবে জনগণকে সংশোধন করবে? কারণ তারা নিজেরাই তো দূর্নীতিবাজ।গনঅধিকার পরিষদের সভাপতি ভিপি নুরুল হক নূরের বার্তা নিয়ে আপনি ইতোমধ্যে সাভার আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় চষে বেড়াচ্ছেন, কতটুকু সাড়া পাচ্ছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভিপি নূরুল হক নূর কে সবাই ভালোবাসে।তার কথা বললে সকলেই সম্মান করে। ভিপি নূর গত স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে প্রায় ২৬ বার হামলার শিকার হয়েছিল। ৫ আগস্ট এর পরেও তিনি মারাত্মকভাবে আহত হয়েছিলেন। আপনারা জানেন,তিনি কখনো অন্যায়ের সাথে আপোষ করেননি। যদি করতেন, তাহলে হাসিনা সরকারের আমলেই তিনি এমপি, মন্ত্রী হতে পারতেন। তাকে কোটি কোটি টাকার লোভ দেখানো হয়েছিলো। কিন্তু বিপ্লবী নূর ঘৃণাভরে তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।তার রাজনীতি জনগণের জন্য। ট্রাক মার্কা নিয়ে আমি ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি।সাভার আশুলিয়া বাসির কাছে আপনার প্রত্যাশা কি ?এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব।আল্লাহ পাক তাকে জ্ঞান বুদ্ধি বিবেক বিবেচনা দিয়েছেন।আমি ন সাভার আশুলিয়া বাসীকে বলবো, আপনারা দল ছোট কিংবা বড় দেখবেন না।আপনারা দেখবেন যোগ্য প্রার্থী।কে আপনাদের পাশে থাকবে, সাথে থাকবে,সুখ দুঃখের সাথী হবে! তাকে ভোট দিবেন। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি,ঝুট ব্যবসায়ী, জমি দখলকারীকে নির্বাচনে ভোট দিবেন না।আমাকে ভোট দিতে হবে এমন কোন কথা নেই।তবে অবশ্যই আমি যদি আপনাদের বিচারে যোগ্য হই,তাহলে আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ আমাকে ট্রাক মার্কায় ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে সাভার আশুলিয়া বাসির সেবা দানের সুযোগ করে দেবেন।। আমি আপনাদের এলাকার সন্তান।আপনাদের জন্য আমার সব সময় মন কাঁদে। ভিপি নুরুল হক নুর দেশের কল্যানে নিজের রক্ত দিয়েছেন।আমরাও স্বৈরাচারী হাসিনা সরকার পতনে প্রত্যক্ষ যোদ্ধা ছিলাম।অনেক হামলা মামলার শিকার হয়েছি।দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য।সুতরাং সাভার আশুলিয়া বাসীকে একটি সন্ত্রাসমুক্ত সুন্দর আসন উপহার দিতে চাই।যদি আপনারা আমার পাশে থাকেন। আমি আপনাদের জন্য নিজের শেষটুকু বিসর্জন দেব ইনশাআল্লাহ।
ডেস্ক রিপোর্ট: দীর্ঘদিন কার্যক্রম স্থবির থাকার পর মোতালিব প্লাজা দোকান মালিক সমিতির অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে পরিচালনা করার স্বার্থে ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য, সাবেক মন্ত্রী এবং ...
পিরোজপুর অফিস: সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষা, প্লাস্টিক-পলিথিন দূষণ প্রতিরোধ এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় গণমাধ্যমের ভূমিকা জোরদারের লক্ষ্যে পিরোজপুরে “জার্নালিজম ফর সুন্দরবন” শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অ ...
মেহেন্দিগঞ্জ প্রতিনিধি। বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার আলীমাবাদ ইউনিয়নের মাঝকাজী বাজারে জমি ও বসতবাড়ি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ এনে প্রতিকার চেয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।শনিবার দুপুরে মেহেন্দিগঞ্জ প্রেসক্ ...
রাহাদ সুমন, বিশেষ প্রতিনিধি : পর্যাপ্ত সরকারি বরাদ্দ না পাওয়ায় সংস্কারের অভাবে জরার্জীন ভবনে অপর্যাপ্ত বাসস্থান ও শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে সমাজসেবা অধিদপ্তরের ক্যাপিটেশনগ্রান্ডপ্রাপ্ত বরিশালের ...
সব মন্তব্য
No Comments