স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে যোগ্য নারীদের মনোনয়ন দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নারী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। তারা বলেছেন, নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব বৃদ্ধি ছাড়া একটি গণতান্ত্রিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। তাই জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে নারীবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা সময়ের দাবি।
আজ রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ (বিএনপিএস) আয়োজিত ‘নারীর সমানাধিকার : বৈষম্য নিরসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন তারা। বিএনপিএস-এর পরিচালক শাহনাজ সুমীর সঞ্চালনায় বৈঠকে আলোচনায় অংশ নেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. আইনুন নাহার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. তানিয়া হক, ব্রাক-এর প্রোগাম ম্যানেজার ফাতেমা ফেরদৌসি, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালাক অর্চনা সাহা, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সম্পাদক দীপ্তি সরকার, নেটজ বাংলাদেশের এইচআর লিড আফসানা বিনতে আমিন, ফাউন্ডেশন ফর উইম্যান পসিবিলিটি নির্বাহী পরিচালক ফরিদা বেগম, শ্রমিকনেত্রী সেলিনা আকতার, আদিবাসী নেত্রী রিয়া চাকমা, নারী অধিকার কর্মী মুশফিকা লাইজু, রায়ের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহেরুন্নেসা প্রমুখ।
বৈঠকে অধ্যাপক ড. তানিয়া হক বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতায় সঠিক বিচার এবং প্রতিরোধ না হওয়ার কারণে এক ধরণের সামাজিক বৈধতার পদ্ধতিগত রুপ নিচ্ছে, যা শুধু নারীর ক্ষতি সাধন করছে না, বরঞ্চ পুরো সমাজটাই ক্ষতির মুখে পড়ছে। এঅবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য জেন্ডারসংবেদনশীল মানস গঠনে কাজ করতে হবে।
অধ্যাপক ড. আইনুন নাহার বলেন, সংবিধানে নারীর সমান অধিকারের কথা বলা থাকলেও নারীর ক্ষমতায়নে রাষ্ট্র এখন পর্যন্ত ওয়েলফেয়ারধর্মী উদ্যোগ নিয়েছে, কাঠামোগত পরিবর্তনে মনোযোগ দেয়নি। কর্মক্ষেত্রে সমান মজুরি নিশ্চিত না হওয়া, নিরাপদ কর্মপরিবেশের অভাব, বিচার ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকারে প্রতিবন্ধকতা, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নারীর সীমিত অংশগ্রহণ এবং অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রে সমঅধিকার নিশ্চিত না হওয়া ইত্যাদিকে নারীর পূর্ণাঙ্গ ক্ষমতায়নের পথে বড় বাধা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
নারী নেত্রী শাহনাজ সুমী বলেন, দেশের এখনো নারীরা কাঠামোগত বৈষম্য, সহিংসতা এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন। নারীর সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হলে কেবল আইনি স্বীকৃতি যথেষ্ট নয়; বরং সেই অধিকার বাস্তব জীবনে কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন রাষ্ট্রীয় অঙ্গীকার, কার্যকর নীতি এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। রাষ্ট্র, নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম এবং বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে নারী ও মেয়েদের জন্য বৈষম্যহীন, নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্র ...
স্টাফ রিপোর্টার: দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি এবং জনজীবনে নিরাপত্তাহীনতায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ।আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) জাসদ কেন্দ্রীয় ...
বিশেষ প্রতিনিধি: বিএনপি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করে না, জনগণের জন্য রাজনীতি করে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) নরসিংদীর পলাশ ...
স্টাফ রিপোর্টার: চলমান গ্যাসের সংকট আগামী সাত দিনের মধ্যে কেটে যাবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠ ...
সব মন্তব্য
No Comments