মোংলা থেকে মোঃ নূর আলমঃ শ্রদ্ধা, গান, কবিতা আর আলোচনায় ২১ জুন শনিবার সকালে মোংলার মিঠাখালীতে একুশে পদকপ্রাপ্ত তারুণ্যের কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ’র ৩৪তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। রুদ্র স্মৃতি সংসদ, মোংলা নাগরিক সংঘ ও অন্তর বাজাও শিল্পী গোষ্ঠীর আয়োজনে এসব কর্মসূচি পালিত হয়।
শনিবার সকাল ৯টায় রুদ্র স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে সংসদ চত্বর থেকে শোভাযাত্রা সহকারে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর রুদ্রের বাড়িতে দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টায় রুদ্রের বাড়িতে স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়। স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন রুদ্র স্মৃতি সংসদের সভাপতি ও রুদ্রের অনুজ সুমেল সারাফাত। স্সরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন করেন, মোংলা উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোংলা নাগরিক সংঘের সভাপতি মোঃ নূর আলম শেখ। এসময়ে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন চালনা বন্দর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেন, রামপাল সরকারি কলেজের প্রভাষক নজরুল ইসলাম, রুদ্র স্মৃতি সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রুদ্র স্মৃতি সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান টিটো। আলোচনা শেষে রুদ্রের গান পরিবেশন করেন রুদ্রের গড়া সংগঠন অন্তর বাজাও।
সভায় বক্তারা বলেন, রুদ্র ছিলেন তারুণ্য ও সংগ্রামের দীপ্ত প্রতীক। সমাজের সকল বৈষম্য, সাম্প্রদায়িকতা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি কলম ধরেছেন। দেশ ও জাতির সংকটে রুদ্রের কবিতা হয়ে উঠেছে তারুণ্যের হাতিয়ার। ২৪ এর গণঅভ্যুথানে রুদ্র'র কবিতা ছাত্র-তরুনদের সাহস যুগিয়েছে। অভ্যুত্থান পরবর্তীতে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মানে রুদ্রকে আমাদের নিজেদের জন্যে, দেশের জন্যে খুবই প্রয়োজন ছিল। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন রুদ্র তার কবিতা, গান নিয়ে বেঁচে থাকবেন।
প্রসঙ্গত, মাত্র ৩৫ বছরের নাতিদীর্ঘ জীবন-সীমায় রুদ্র রচনা করেন সাতটি কাব্যগ্রন্থ-‘উপদ্রুত উপকূল’ (১৯৭৯), ‘ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম’ (১৯৮১), ‘মানুষের মানচিত্র’(১৯৮৪), ‘ছোবল’ (১৯৮৭), ‘গল্প’ (১৯৮৭) ‘দিয়েছিলে সকল আকাশ’ (১৯৮৮) এবং ‘মৌলিক মুখোশ’(১৯৯০)। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও পরবর্তী পরিস্থিতিকে অবলম্বন করে তিনি ‘বিষ বিরিক্ষের বীজ’ নামে একটি কাব্যনাট্যও রচনা করেন। এছাড়া তিনি বেশ কিছু গল্প লিখেছেন।
তার রচিত ও সুরারোপিত ‘ভালো আছি ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো’- গানটি দুই বাংলায় অসম্ভব জনপ্রিয়। ১৯৮৭ সালে তসলিমা নাসরীনের সাথে বিচ্ছেদের পর মোংলায় বসে তিনি এ গানটি রচনা ও সুরারোপ করেন। পরবর্তীকালে এ গানটির জন্য তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি প্রদত্ত ১৯৯৭ সালের শ্রেষ্ঠ গীতিকারের (মরণোত্তর) সম্মাননা লাভ করেন। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ও জাতীয় কবিতা পরিষদ গঠনে তিনি গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করেন।
স্টাফ রিপোর্টার: নতুন ছবির শুটিং করতে নেপালে গিয়ে বিপাকে বড়পর্দার দুই অভিনেতা খরাজ মুখোপাধ্যায় ও রজতাভ দত্ত। নেপালের চিন সীমান্তঘেঁষা রাসুয়া জেলায় ভয়াবহ হড়পা বান ও ফ্ল্যাশ ফ্লাডের জেরে আটকে পড়েছেন ...
স্টাফ রিপোর্টার: কিংবদন্তি মার্কিন কান্ট্রি সংগীতশিল্পী ডলি পার্টনকে নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা। বিবিসি নিউজ জানিয়েছে, ৮০ বছর বয়সে এই কিংবদন্তি প্রয়াত হয়েছেন। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, "Legenda ...
অনিক রায়, ফরিদপুর অফিস: ফরিদপুর শহরের পশ্চিম আলীপুর এলাকায় অভিনেতা ও কণ্ঠশিল্পী ফজলুর রহমান বাবুর ‘কামরাঙ্গা’ নামের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। বাড়ির বিদ্যুতের মেইন লাইনের তার, এসির তারসহ বাইরে রাখা বেশ ...
স্টাফ রিপোর্টার: ‘হৃদয়ে ঢাকা-৪১৬’ উদযাপনকে ঘিরে রাজধানীর ইতিহাস, ঐতিহ্য ও বহুমাত্রিক সংস্কৃতি নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) উদ্যোগে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী চলচ ...
সব মন্তব্য
No Comments