বিশেষ প্রতিনিধি, নিউইয়র্ক: জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নে প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণ এবং স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রক্রিয়া টেকসই ও মসৃণ করতে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-র অধিকতর সহায়তা কামনা করেছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ইউএনডিপি, ইউএনএফপিএ ও ইউএনওপিএস-এর নির্বাহী বোর্ডের বার্ষিক অধিবেশনে বক্তব্য প্রদানকালে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রদূত নোমান চৌধুরী বলেন, চলতি বছরের জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্থিতিশীল ও অংশগ্রহণমূলক গণতান্ত্রিক শাসনের নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। এ প্রক্রিয়ায় ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ইউএনডিপির 'ব্যালট (BALLOT) প্রকল্প'-এর অবদান গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি নবনির্বাচিত সরকারের অগ্রাধিকার- সুশাসন, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইউএনডিপির সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। একইসঙ্গে তিনি বিচার বিভাগীয় সংস্কার ও গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ জোরদারে ইউএনডিপির ভূমিকার প্রশংসা করেন।
বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ) ও গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটি (জিইএফ)-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক তহবিলে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধিতে ইউএনডিপির কারিগরি সহায়তা সম্প্রসারণের আহ্বান জানান। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ও জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর জন্য নতুন, অতিরিক্ত ও সহজলভ্য জলবায়ু অর্থায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এলডিসি উত্তরণ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত নোমান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য নির্ধারিত থাকলেও ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত, উন্নয়ন সহায়তা হ্রাস, জলবায়ু অভিঘাত ও জ্বালানি অনিশ্চয়তার কারণে নীতিগত সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে টেকসই ও মসৃণ উত্তরণ নিশ্চিত করতে প্রস্তুতির সময়সীমা বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশ অনুরোধ জানিয়েছে। ইউএনডিপির নির্বাহী বোর্ডের সভায়ও তিনি এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি হিসেবে অব্যাহত ও অনুমানযোগ্য আন্তর্জাতিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতি কমিটি (সিডিপি) এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রস্তুতির সময় ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। বিষয়টি জুলাই মাসে ইকোসকের বৈঠকে ও সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উঠবে। জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল রাবাব ফাতিমা এরই মধ্যে বাংলাদেশের উত্তরণের জন্য একটি স্বাধীন প্রস্তুতি মূল্যায়ন শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন, যা আগামী জানুয়ারিতে শেষ হবে।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রেয়াতি অর্থায়ন, কারিগরি সহায়তা, বাণিজ্য আলোচনার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং এলডিসি-নির্দিষ্ট সহায়তা অব্যাহত রাখা জরুরি। একইসঙ্গে তিনি বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থাকে আরও প্রতিনিধিত্বমূলক করা, জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং পাচার হওয়া সম্পদ ফেরত আনার ওপর জোর দেন।
স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনও অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজন করতে নির্বাচন কমিশন তৎপর রয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, স্থানীয় নির্বা ...
স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর মিরপুর ওয়াপদা ক্যাম্পে নির্মম ধর্ষণের শিকার হওয়া শিশু লামিয়ার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক মো. আমিনুল হক।সোমবার স ...
স্টাফ রিপোর্টার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, ‘শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ। তারাই আগামীর বাংলাদেশ, দেশ গড়ার সৈনিক।’সোমবার, ৬ জুলাই সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে শিশু পরিচর্যা ...
স্টাফ রিপোর্টার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গুলশানের ব্যক্তিগত বাসভবন ‘১৯৬, গুলশান এভিনিউ’কে ‘কী পয়েন্ট ইনস্টলেশন’ (কেপিআই) হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। গত জুন মাসে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান ...
সব মন্তব্য
No Comments