স্টাফ রিপোর্টার: দক্ষিণ এশিয়ায় লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে আঞ্চলিক সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে শ্রীলঙ্কার ক্যান্ডিতে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই ২০২৬) শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী সার্ক আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।
“দক্ষিণ এশিয়ায় এলএসডি নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা” শীর্ষক এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে ঢাকাস্থ সার্ক কৃষি কেন্দ্র, শ্রীলঙ্কার কৃষি ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশের গ্রাম উন্নয়ন কর্ম। এতে বাংলাদেশ, ভুটান, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার প্রাণিসম্পদ ও ভেটেরিনারি খাতের বিশেষজ্ঞরা অংশ নিয়েছেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন শ্রীলঙ্কার প্রাণিসম্পদ উৎপাদন ও স্বাস্থ্য বিভাগের মহাপরিচালক এবং সার্ক প্রধান ভেটেরিনারি কর্মকর্তাদের ফোরামের চেয়ারম্যান ড. বি.এস.এস. পেরেরা। তিনি সীমান্ত অতিক্রমকারী প্রাণীরোগ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (লাইভস্টক) ড. মো. ইউনূস আলী প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে দক্ষিণ এশিয়ায় রোগ নজরদারি জোরদার, দ্রুত শনাক্তকরণ এবং সমন্বিত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শ্রীলঙ্কার ভেটেরিনারি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ভাইরোলজিস্ট ড. এস. পুভানেন্দ্রন। তিনি বলেন, মশা, মাছি ও টিকের মতো রক্তচোষা পোকামাকড়ের মাধ্যমে এলএসডি প্রধানত ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত প্রাণীর ত্বকের ক্ষত ও শুকনো খোসায় ভাইরাস দীর্ঘদিন জীবিত থাকতে পারে। উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া, প্রাণী স্থানান্তর এবং দুর্বল বাহক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও রোগ বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গ্রাম উন্নয়ন কর্মের পরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান কৃষকদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কৃষক, প্রাণিচিকিৎসক ও উন্নয়ন সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের আহ্বান জানান।
সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হারুনূর রশীদ বলেন, এলএসডি মোকাবিলায় সমন্বিত আঞ্চলিক উদ্যোগ অপরিহার্য। এ জন্য তথ্য বিনিময়, কারিগরি সহযোগিতা এবং সক্ষমতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
শ্রীলঙ্কার কৃষি বিভাগের মহাপরিচালক ও সার্ক কৃষি কেন্দ্রের গভর্নিং বোর্ড সদস্য ড. ডব্লিউ.এ.আর.টি. উইক্রমারাচ্চি প্রাণিসম্পদ খাতে এলএসডির অর্থনৈতিক ক্ষতি কমাতে গবেষণা, নজরদারি ব্যবস্থা এবং নীতিগত সহায়তা একীভূত করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক (এআরডি ও এসডিএফ) তানভীর আহমেদ তরফদার বলেন, এলএসডি দক্ষিণ এশিয়ার প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন ও গ্রামীণ জীবিকার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা, জ্ঞান বিনিময় এবং যৌথ উদ্যোগ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীলঙ্কার পেরাদেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন ড. এ. কালুপাহানা এবং বিশেষ সম্মানিত অতিথি ছিলেন শ্রীলঙ্কার কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এস. পিয়াসিরি। তাঁরা গবেষণাভিত্তিক কৌশল, কার্যকর টিকাদান কর্মসূচি এবং শক্তিশালী ভেটেরিনারি সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ডেস্ক রিপোর্ট: দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের কুইন্সটাউনে একটি দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও একজন দগ্ধ হয়েছেন। আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।স্ ...
যশোর অফিস: কুষ্টিয়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক ৮ জনকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশ-ইনের অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।বিজিবির পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা ...
ডেস্ক রিপোর্ট: সৌদি আরবে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে রিয়াদ থেকে মক্কায় যাওয়ার পথে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ওই পরিবারের আরও দুই সদস্য গুরুতর আহত হয়েছ ...
স্টাফ রিপোর্টার: জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার সন্দেহে সিঙ্গাপুর থেকে ফেরত পাঠানো দুই বাংলাদেশি নাগরিককে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন ঢাকার আদালত। বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক ...
সব মন্তব্য
No Comments