স্টাফ রিপোর্টার: সাবেক শেখ হাসিনার সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে সই হওয়া ১০১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (MoU) পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ। বিষয়টি নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দিয়েছে।
গত সপ্তাহে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি সংসদ মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, “আমরা চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করছি। যার অর্থ ১০১টি সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনার ফলাফল আপনারা খুব শিগগিরই দেখতে পাবেন।”
বন্ধু রাষ্ট্রের জাহাজের চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের চুক্তি বাতিল হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “We are reviewing the agreements, all 101 MoUs. You will get the outcome very soon, very soon.” তিনি আরও বলেন, সরকার বিভিন্ন অনৈতিক চুক্তি থেকে সরে এসে জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিচ্ছে, বিশেষ করে চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশি জাহাজকে সুবিধা দেওয়া সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক নীতিগুলো।
এ নিয়ে আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে ভারতের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালকে প্রশ্ন করেন দেশটির সাংবাদিকরা। ভারতের সংবাদ সংস্থা ANI-এর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এমন কিছু করলে ভারত তার স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
ভারতের প্রভাবশালী দৈনিক দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, "India on Friday said it would take 'all necessary actions' to safeguard its interests after reports that Bangladesh is reviewing 101 agreements"। জয়সওয়াল বলেন, “We also have seen some media reports on this matter, but nothing has been conveyed to us officially. Obviously, India will take all necessary actions to protect its interests,”।
একই তথ্য নিশ্চিত করেছে হিন্দুস্তান টাইমস ও দ্য ট্রিবিউন। দ্য ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়, “while New Delhi has seen media reports regarding the pacts, no official communication has been received from Dhaka”। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড জানিয়েছে, ভারত আজ (১৮ সেপ্টেম্বর) বলেছে তারা স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
কোন কোন চুক্তি পর্যালোচনায়?
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পর্যালোচনার আওতায় রয়েছে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার, কানেক্টিভিটি এবং অন্যান্য দ্বিপাক্ষিক প্রকল্প সংক্রান্ত চুক্তি। তবে ঢাকা এখনো কোনো চুক্তি একযোগে বাতিলের ঘোষণা দেয়নি।
উল্লেখ্য, ভারত লাইন অব ক্রেডিট (LoC) এর মাধ্যমে বাংলাদেশে ৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করেছে অবকাঠামো প্রকল্পে, এবং দ্বিপাক্ষিক ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলাদেশের বন্দর দিয়ে ভারতীয় পণ্য পরিবহন সুবিধা পেয়ে আসছে।
গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি নিয়েও প্রশ্ন
৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি আগামী ডিসেম্বর ২০২৬-এ শেষ হচ্ছে। এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জয়সওয়াল বলেন, “In the Ganges Water Sharing Treaty between Bangladesh and India, we have the Joint Rivers Commission mechanism to discuss all water-related issues. Technical-level meetings on water matters continue to be held,”। তিনি জানান, ভারত ও বাংলাদেশ ৫৪টি অভিন্ন নদী ভাগ করে এবং পানি সংক্রান্ত সব বিষয় যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে আলোচনা হয়।
স্টাফ রিপোর্টার: উপকূলীয় ও প্রত্যন্ত দ্বীপ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এক অনন্য ও যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করতে যাচ্ছে সরকার। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদ ...
স্টাফ রিপোর্টার: জার্মানি যাওয়ার পথে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি করেছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে।শুক্রবার দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে তাকে বহনকারী বিশেষ ফ ...
স্টাফ রিপোর্টার: সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বিনিয়োগের বিপরীতে গ্রাহকদের জন্য ১১ দশমিক ৬৮ শতাংশ থেকে ১১ দশমিক ৭২ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা প্রদানের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার ...
স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এমপি'র সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জার্মানির সংসদীয় প্রতিনিধিদল। আজ স্পীকারের কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।প্রতিন ...
সব মন্তব্য
No Comments