ডেস্ক রিপোর্ট: বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-গণ আন্দোলনে আইনশৃক্সখলা রক্ষাকারি বাহিনির নিপীড়ন এবং দুই শতাধিক মানুষের জীবনহানি ও কয়েক হাজার মানুষের পঙ্গু, মারাত্মক আহত বা আহত হওয়ার প্রতিবাদ, নিহত ও আহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ, হত্যার বিচার এবং ক্ষতিগ্রস্থদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবিতে আজ ০২ আগষ্ট ২০২৪, শুক্রবার, সকাল ১০ টায়, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করে সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট।
সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি রাজেকুজ্জামান রতন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব বুলবুল, সহ-সম্পাদক নব কুমার কর্মকার, ইমাম হোসেন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক খালেকুজ্জামান লিপন, অর্থ সম্পাদক আবু নাঈম খান বিপ্লব, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জুলফিকার আলী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক সেলিম মাহমুদ, নির্বাহী সদস্য আফজাল হোসেন প্রমুখ।
বিক্ষোভ সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, গত ১৬ আগস্ট থেকে ছাত্র-গণ আন্দোলনে কত মানুষ হতাহত হয়েছে তার সঠিক হিসাব আজ পর্যন্ত আমরা জানিনা। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুসারে নিহতের সংখ্যা দুই থেকে আড়াই শত বা আরো বেশি এবং আহতের সংখ্যা ছয়-সাত হাজারের বেশি। অথচ সরকার এখন পর্যন্ত ১৫০ জন নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করেছে। সংবাদ মাধ্যমের তথ্য অনুসারে নিহত এবং আহতদের তালিকায় শিশু, কিশোর, শিক্ষার্থী ছাড়াও রয়েছে হোটেল ও পর্যটন কর্মি, গাড়ীচালক, রিক্সা চালক, হকার, গার্মেন্টস কর্মি, নির্মাণ শ্রমিক, দোকান কর্মচারী, দিনমজুরসহ অসংখ্য শ্রমজীবী মানুষের নাম। নিহত এবং আহতদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ শ্রমজীবী মানুষ। কর্মস্থলে যাওয়া-আসার পথে বা কর্মরত অবস্থায় পুলিশের গুলিতে জীবন হারিয়েছে বা আহত হয়েছে এই সকল শ্রমজীবী। পরিবারের প্রধান উপার্জনকারী এই শ্রমজীবী মানুষের মৃত্যু, আহত বা গ্রেফতার হওয়ায় অসহায় হয়ে পড়েছে এদের পরিবারের হাজার হাজার সদস্য। সরকার, নিহত এবং আহতদের প্রকৃত সংখ্যা স্বীকার করে পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ না করায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েও এই সকল শ্রমজীবীদের পরিবার ন্যায়বিচার এবং ক্ষতিপূরণ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশংকা তৈরি হচ্ছে।
নেতৃবৃন্দ, আরো বলেন প্রতক্ষ্যদর্শী এবং আহতদের ভাষ্য অনুসারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনির গুলিতে এইসব হতাহতের ঘটনা ঘটলেও সরকার এবং আইনশৃক্সখলা রক্ষাকারী বাহিনি গুলি করার ঘটনা অস্বীকার করার প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের তত্বাবধানে তদন্তের দাবি উঠেছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, শ্রমজীবীদের হয়রানি, গ্রেফতার বন্ধ করতে হবে এবং গ্রেফতারকৃতদের মুক্তি দিতে হবে। পাশাপাশি, প্রতিটি হতাহতের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের পরিবেশ নিশ্চিত করা, দায়িদের চিহ্নিত করে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান, নিহতদের পরিবারকে নামমাত্র অনুদান নয়, যথাযোগ্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, আহতদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসহ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে। নেতৃবৃন্দ সাধারণ ছুটির সময়ের মজুরি না কাটা, চাকরিচ্যূত না করা এবং বিদ্যমান পরিস্থিতিতে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমজীবীদের কর্মসংস্থান না থাকায় প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান।
স্টাফ রিপোর্টার: সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি অবসরপ্রাপ্ত মেজর মোজাফফর হোসেনকে ৪৫ বছর পর গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। বুধবার ১৫ জুলাই মধ্যরাতে রাজধ ...
স্টাফ রিপোর্টার: প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ২০২৭ সালের হজের প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সরকারি অথবা বেসরকারি—যেকোনো মাধ্যম বেছে নিয়ে বাংলাদেশের হজ কোটায় পবিত্র হজ পালন করতে পারবেন প্রবা ...
স্টাফ রিপোর্টার: উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি একই এলাকায় স্থির রয়েছে। এটি আরও ঘণীভূত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর প্রভাব ...
ডেস্ক রিপোর্ট: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল ঐতিহাসিক জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষ্যে নিন্মোক্ত বাণী প্রদান করেছেন:‘আজ ১৬ জুলাই। ঐতিহাসিক জুলাই শহিদ দিবস। শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, শোক আর কৃতজ্ঞতা প ...
সব মন্তব্য
No Comments