জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুলে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ইংলিশ টেস্ট চালু

প্রকাশ : 16 Jul 2026
জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুলে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ইংলিশ টেস্ট চালু

সিলেট অফিস: জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজে (জেসিইএসসি) চালু হলো ব্রিটিশ কাউন্সিলের 'প্রাইমারি ইংলিশ টেস্ট' ও 'সেকেন্ডারি ইংলিশ টেস্ট'। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটিতে অফিশিয়াল 'আইইএলটিএস রেজিস্ট্রেশন সেন্টার' স্থাপনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।


আজ সিলেটে জেসিইএসসি ক্যাম্পাসে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ব্রিটিশ কাউন্সিলের সঙ্গে এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এই চুক্তির আওতায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষার দক্ষতা মূল্যায়নের জন্য আন্তর্জাতিক মানের দুটি টেস্ট চালু করা হলো।


অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ কাউন্সিলের কর্মকর্তারা, জেসিইএসসির অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক ও তৃতীয় থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।


আইইএলটিএস রেজিস্ট্রেশন সেন্টার চালুর ফলে এখন থেকে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকেরা এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেই সহজে আইইএলটিএস পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন।


ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের ইংলিশ অ্যান্ড এক্সামিনেশনস বিভাগের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জুনায়েদ আহমেদ বলেন, "জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজের সঙ্গে আমাদের এই অংশীদারিত্ব শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের ইংরেজি মূল্যায়ন পদ্ধতি হাতের নাগালে এনেছে। শৈশব থেকেই ইংরেজি ভাষায় যোগাযোগ দক্ষতা গড়ে তোলার মাধ্যমে আমরা আগামী দিনের বিশ্বনাগরিক তৈরির পথ সুগম করছি।"


জেসিইএসসির অধ্যক্ষ লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আরিফুর রহমান, পিএসসি, পিএইচডি, এইসি বলেন, "আমাদের প্রতিষ্ঠানকে বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে বেছে নেওয়ার জন্য ব্রিটিশ কাউন্সিলকে ধন্যবাদ। এই উদ্যোগ আমাদের প্রতিষ্ঠানে ইংরেজি শিক্ষার ভিত্তিকে আরও মজবুত করবে এবং শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসী বিশ্বনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে অনুপ্রাণিত করবে।"


অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের অ্যাকাউন্ট রিলেশনশিপ ম্যানেজার আনিকা বুশরা ইংলিশ টেস্টের বিভিন্ন দিক নিয়ে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। পরে প্রশ্নোত্তর পর্বে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা ব্রিটিশ কাউন্সিল টিমের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন এবং মূল্যায়ন পরীক্ষাগুলোর দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষাগত সুবিধা সম্পর্কে জানেন।


এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে জেসিইএসসির শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সাফল্য, উচ্চশিক্ষা ও বৈশ্বিক অঙ্গনে যুক্ত হওয়ার নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


সম্পর্কিত খবর

;